এআই উপদেষ্টা নিয়োগ দিচ্ছেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতি ও তদারকিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আভাস দিয়ে এক নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ এবং একটি বিশেষ 'এআই ফোর্স' গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই নতুন উদ্যোগের কথা জানান।
তবে এই বিশেষ দল বা উপদেষ্টা পদের সুনির্দিষ্ট কাজের পরিধি, কাঠামোগত রূপরেখা কিংবা কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে- সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।
এআই ঝুঁকি বনাম ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান
ওয়াশিংটনের আইনপ্রণেতা ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মাঝে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্ভাব্য বিধ্বংসী ঝুঁকি নিয়ে যখন তীব্র উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণা এলো।
চলতি মাসের শুরুর দিকে এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'অ্যানথ্রোপিক'-এর সাবেক গবেষক জেকব কক্সন চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, এআই নিয়ে কাজ করা গবেষকদের বড় অংশই মনে করেন অনিয়ন্ত্রিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চলতি দশকের শেষ নাগাদ মানবজাতির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরই এ ধরনের নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কাকে গুরুত্ব দেননি এবং এআই খাতের ওপর নতুন কোনো সরকারি কঠোর নিয়ম বা আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপের তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন।
অস্পষ্টতা নিয়ে ক্যাপিটল হিলে প্রশ্ন
ট্রাম্পের এই প্রস্তাবিত এআই উপদেষ্টা বা 'এআই ফোর্স'-এর মূল উদ্দেশ্য প্রযুক্তি খাতের ওপর কোনো প্রকার তদারকি প্রতিষ্ঠা করা নাকি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মার্কিন এআই শিল্পকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া- তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় আইনপ্রণেতারা এই উদ্যোগের কার্যকরিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন।
এআই নিয়ন্ত্রণের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া কেবল পদ তৈরির এই কৌশল মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি বাজারের গতিপথ কীভাবে নির্ধারণ করবে, তা নিয়েই এখন ওয়াশিংটন জুড়ে জোর আলোচনা চলছে।
ডিবিটেক/বিএমটি । সূত্র: রয়টার্স





