৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং ভর্তি পরীক্ষা
৪ হাজার ৮০০ আসনে ৫২ হাজার ২০০ বৈধ প্রার্থী
- ৬৪ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা
- ৮১ হাজার ৪০০ আবেদনের মধ্যে বৈধ ৫২ হাজার ২০০
- ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে ১৯ হাজার ২০০ জনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সরকারি উদ্যোগে ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে অষ্টম ব্যাচের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের লিখিত বাছাই পরীক্ষা। ৫২ হাজার ২০০ প্রার্থী শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯টায় পরীক্ষায় অংশ নেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় এই ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০টি প্রশিক্ষণ আসনের বিপরীতে মোট ৮১ হাজার ৪০০টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৫২ হাজার ২০০টি আবেদন বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব যোগ্য প্রার্থীকে শনিবারের লিখিত বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
পরীক্ষা চলাকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসাইন ঢাকার কল্যাণপুরে একটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তারা পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। দেশের অন্যান্য জেলার কেন্দ্রগুলোতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষা কার্যক্রম তদারকি করেন।
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের কল্যাণপুর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ৫ হাজার ৫০০ প্রার্থী অংশ নেন। সারাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণের অংশগ্রহণ ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করার সুযোগের প্রতি তরুণদের আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরেছে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। চূড়ান্ত বাছাই শেষে অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এতে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশ, অর্থাৎ ১২ হাজার ৩৫৪ জন বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছেন বলে প্রকল্পের তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সম্মিলিত আয় প্রায় ৩ দশমিক ৪৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
৬৪ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা, জেলা-ভিত্তিক প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ শেষে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ তৈরির এই উদ্যোগে তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
//ডিবিটেক/ এমআরএস/এসএমই/এমআইটি//





