সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও অপচয় রোধে এলজিইডি কর্মকর্তাদের প্রতি ড. আবদুল মঈন খানের আহ্বান
সড়কে ইউনি-সিসি ব্লক ও সৌরবিদ্যুতের নেট মিটারে জোর স্থানীয় সরকারের
- গ্রামীণ সড়কে ইটের ব্যবহার কমিয়ে ইউনি ব্লক, সিসি ব্লক ও নদীতীরবর্তী রাস্তায় ‘বিন্যা ঘাস’ ব্যবহারের নির্দেশ
- স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসিয়ে নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহের আহ্বান
- জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবহারে দায়িত্বশীলতার সাথে টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ
গ্রামীণ সড়ক টেকসই করতে ইটের বিকল্প হিসেবে ইউনি ও সিসি ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদিত অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব নির্দেশনার কথা উঠে আসে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জনগণের সম্পদের অপচয় রোধ করে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় করে কম ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফল অর্জন করতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে যে নতুন ধারার সূচনা করেছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে এর সুফল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে দেশের মানুষ পাবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ৬ থেকে ৯ ফুট প্রশস্ত ছোট সড়কে ইটের পরিবর্তে ইউনি ব্লক ও সিসি ব্লক ব্যবহার এবং ভারী যানবাহনের সড়কে প্রয়োজন অনুযায়ী আরসিসি বা কার্পেটিংয়ের পাশাপাশি দেশীয় পাথর ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে। নদীতীরবর্তী ও বন্যাপ্রবণ সড়কে মাটি ক্ষয়রোধে ‘বিন্যা ঘাস’ ব্যবহারেরও নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া ইউনিয়ন, উপজেলা পরিষদ ও হাটবাজারে সোলার প্যানেল বসিয়ে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং সিস্টেমে জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সাথে সাথে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সভায় দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক ও উপজেলা প্রকৌশলীরা অংশ নেন।
//ডিবিটেক/এইচএমসি/এসএমই/এমআইএস//





