অনলাইন নিবন্ধন ও এসআরএস প্রণয়নে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন
সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুতে ইসির বিশেষ সফটওয়্যার উদ্যোগ
- নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহের পাস ও কার্ড ইস্যু প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করতে সফটওয়্যার তৈরির আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন
- সফটওয়্যার রিকোয়ারমেন্ট স্পেসিফিকেশন (এসআরএস) প্রণয়নে অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমকে আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের কারিগরি ও নীতিনির্ধারণী কমিটি গঠন
- অনলাইন নিবন্ধন থেকে ডিজিটাল কার্ড ইস্যু পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কার্যপদ্ধতির রূপরেখা চূড়ান্ত করবে সাংবাদিক প্রতিনিধি ও তথ্য অধিদফত
জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য পরিচয়পত্র বা পাস ইস্যু প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, স্বয়ংক্রিয় ও কার্যকর করতে পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার তৈরির প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নের প্রাথমিক কারিগরি কাঠামো বা সফটওয়্যার রিকোয়ারমেন্ট স্পেসিফিকেশন (এসআরএস) প্রণয়নের লক্ষ্যে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার ইসির জনসংযোগ পরিচালক আব্দুল মমিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত আদেশে গঠিত এই কমিটি সাংবাদিক কার্ড ইস্যু সংক্রান্ত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ফিচার ও সিস্টেমের নকশা নির্ধারণে কাজ করবে। কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে আবেদনকারীদের অনলাইন নিবন্ধন, ডিজিটাল তথ্য যাচাই, ডাটাবেইস সংরক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় কার্ড প্রিন্টিং বা ইস্যুর পুরো কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রযুক্তিগত সুপারিশ ও এসআরএস চূড়ান্ত করা।
কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক আব্দুল মমিন সরকার। এছাড়া কমিটিতে সাংবাদিক অংশীজনদের পক্ষে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল এবং সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলাকে। এর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) প্রতিনিধি এবং ইসির তথ্যপ্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোর কর্মকর্তারাও এই কমিটিতে যুক্ত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়, সনাতন ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কার্ড ইস্যুর কারণে অতীতে ভুয়া সাংবাদিকদের প্রবেশ বা প্রকৃত সাংবাদিকদের আবেদন প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতো। স্বয়ংক্রিয় এই সফটওয়্যারটি বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল ভেরিফিকেশন এবং সেন্ট্রাল ডাটাবেইসের মাধ্যমে প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের দ্রুত পরিচয়পত্র প্রদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা গোটা নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করবে।
//ডিবিটেক/ বিভিও/এসএমই/এমআইএসটি//





