মানহানি-বুলিং-এআই কনটেন্টেও অপরাধ, কোম্পানির লাইসেন্স বাতিলের সুযোগ

গুজবে ১০ বছর, সাইবার আইনে বাড়ছে নিয়ন্ত্রণ

  • গুজব ও অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি একাধিক সরকারি সংস্থাকে কনটেন্ট ব্লক ও অপসারণের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব
  • মানহানি, বুলিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি বা সম্পাদিত কনটেন্টের জন্যও নতুন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে

গুজবে ১০ বছর, সাইবার আইনে বাড়ছে নিয়ন্ত্রণ
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০০  

ঢাকা: গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো, মানহানি, বুলিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কনটেন্টকে কেন্দ্র করে শাস্তির পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ ও ব্লক করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাব করা হয়েছে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায়।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে খসড়াটি নিয়ে পরামর্শ সভা হয়। ভবন ৬-এর ১২০১ নম্বর কক্ষে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। খসড়ার তুলনামূলক নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আইনটির কয়েকটি ধারায় শাস্তি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন অপরাধ, নতুন সংজ্ঞা, নতুন বিচারব্যবস্থা এবং প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর কনটেন্ট অপসারণে সময়সীমা নির্ধারণের সুযোগ যোগ করা হচ্ছে।

গুজব-অপতথ্যে ১০ বছরের কারাদণ্ড

খসড়ায় নতুন করে ২৬ক ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে গুজব ও অপতথ্য প্রকাশ বা প্রচারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। এর জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সংজ্ঞায় ‘গুজব’ বলতে এমন অসমর্থিত বা যাচাই না করা তথ্য, সংবাদ বা দাবি বোঝানো হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বা করার সম্ভাবনা রাখে। আর ‘অপতথ্য’ হলো কাউকে, জনগণকে, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি, প্রকাশ বা প্রচার করা মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য।

মানহানি ও বুলিংয়ের নতুন সংজ্ঞা

ধারা ২৫-এর শিরোনামেও পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং বা অশ্লীল কনটেন্টের পাশাপাশি এতে মানহানিকর তথ্য যুক্ত হচ্ছে।

বর্তমান আইনে ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, প্রতিশোধমূলক পর্নোগ্রাফি, ডিজিটাল শিশু যৌন নির্যাতনের উপকরণ এবং যৌন হয়রানিমূলক চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে ক্ষতিকর বা ভয় দেখানো তথ্য, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল, স্থিরচিত্র বা গ্রাফিকস তৈরি, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

প্রস্তাবে শাস্তি বাড়িয়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের পরিবর্তে ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ২০ লাখের পরিবর্তে ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ‘মানহানি’ ও ‘হেয়প্রতিপন্ন’-এর নতুন সংজ্ঞা যোগ করা হয়েছে। মানহানির সংজ্ঞায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৯৯ ধারা উল্লেখ করে মিথ্যা, বিকৃত, বিভ্রান্তিকর, অপমানজনক বা ক্ষতিকর তথ্য, বক্তব্য, অডিও, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিকসের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজিটালভাবে ধারণ, সম্পাদনা অথবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে প্রস্তুত, সম্পাদিত বা পরিবর্তিত কনটেন্টও রাখা হয়েছে।

‘বুলিং’-এর ক্ষেত্রেও নতুন সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তি বা গোষ্ঠী পরিকল্পিত ও বারবার বাস্তব বা অনুমিত ক্ষমতা, প্রভাব বা আধিপত্য ব্যবহার করে অন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর শারীরিক, মৌখিক, সামাজিক, ডিজিটাল বা অন্য কোনো উপায়ে এমন আচরণ করলে, যাতে শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি, কষ্ট, ভয়, সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকিত্ব তৈরি হয়—তাকে বুলিং হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এআই কনটেন্টেও আইনের নজর

ধারা ২৫-এর প্রস্তাবিত পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারকে আইনের ভাষায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা। কোনো তথ্য বা কনটেন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ধারণ, সম্পাদনা, তৈরি বা পরিবর্তন করা হলে সেটিও সংশ্লিষ্ট অপরাধের আওতায় আসতে পারে—এমন ভাষা যুক্ত করা হয়েছে।

কোম্পানির লাইসেন্সও ঝুঁকিতে

কোম্পানি বা আইনগত সত্তার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান—দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার কাঠামো বহাল রাখা হয়েছে। নতুন ২৯(৩) উপধারায় কোনো কোম্পানি দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত কোম্পানির নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল কিংবা নিষিদ্ধ করার আদেশ দিতে পারবে।

এখানে ‘কোম্পানি’-র সংজ্ঞাও বিস্তৃত করা হয়েছে। কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান, সমিতি, সংগঠন, ট্রাস্ট, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা অন্য কোনো আইনগত সত্তাকেও এর আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে।

সব মামলা আর সাইবার ট্রাইব্যুনালে নয়

বিচারব্যবস্থাতেও বড় পরিবর্তন প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে আইনের সব অপরাধ সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়ার বিধান থাকলেও সংশোধনীতে নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধগুলো সাইবার ট্রাইব্যুনালের জন্য রাখা হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী ১৭, ১৮, ২৩, ২৪, ২৫(৩), ২৬ক এবং এসব অপরাধে সহায়তার ক্ষেত্রে ২৭ ধারার অপরাধ সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচার হবে। অন্যান্য অপরাধের বিচার হবে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হলে কিছু অপরাধ মোবাইল কোর্টেও বিচারযোগ্য হবে।

এ জন্য নতুন ৪১ক ধারায় আপিলের ব্যবস্থাও প্রস্তাব করা হয়েছে। সাইবার ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলেট ট্রাইব্যুনালে এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী উপযুক্ত আদালতে আপিল করা যাবে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ধারা ৮(২)-এ

খসড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি ধারা ৮(২)। বর্তমান আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য অপসারণ, ব্লক বা স্থানান্তরের উদ্যোগ নিতে পারে। সংশোধনীতে সেই ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য সংস্থা বা বাহিনীর ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর আওতায় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, জাতিগত বৈষম্য থেকে সহিংসতার আশঙ্কা, অপরাধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নির্দেশনা, অপতথ্য বা গুজব এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর তথ্য বা রাষ্ট্রকে অপমান করে এমন তথ্য রাখা হয়েছে। এসব তথ্য অপসারণ, ব্লক বা স্থানান্তরের পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করার সুযোগও থাকছে।

অর্থাৎ, সংশোধনীটি শুধু নতুন অপরাধ যোগ করছে না; অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের প্রাতিষ্ঠানিক পরিধিও বাড়াচ্ছে।

ব্লক করা কনটেন্ট প্রকাশের বিধান কি বাদ যাচ্ছে?

এখানেই খসড়া ও আলোচনায় থাকা তথ্যের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি চোখে পড়ে।

প্রচলিত বিধানের পাশাপাশি সংশোধিত ৮(৩)-এর খসড়াতেও বলা হয়েছে, কোনো কনটেন্ট ব্লক করা হলে সরকারকে স্বচ্ছতার স্বার্থে ব্লক করা কনটেন্ট সম্পর্কে জনসম্মুখে তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান ও প্রস্তাবিত—দুই কলামেই এই বিধানটি রয়েছে।

অর্থাৎ, আলোচ্য খসড়া অনুযায়ী এই স্বচ্ছতার বিধানটি বাদ দেওয়ার প্রমাণ মেলে না।

তিন দিনের ট্রাইব্যুনাল অনুমতিও বহাল

একই ধরনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি ধারা ৮(৪)-এ। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী কনটেন্ট অপসারণ, স্থানান্তর বা ব্লকের পর তিন দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে। অনুমতি না পাওয়া গেলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি না দিলে সংশ্লিষ্ট তথ্য পুনরায় উন্মুক্ত করার বিধানও রয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়ায় এই তিন দিনের ট্রাইব্যুনাল অনুমতির শর্তটি বহাল রাখা হয়েছে। বরং এর সঙ্গে নতুন প্রতিকার যুক্ত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি এতে সংক্ষুব্ধ হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা আদালতে আনব্লকের আবেদন করতে পারবেন। সরকার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে সংস্থা বা আদালত সেই আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মধ্যে যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার আইনগত প্রতিনিধি, অভিভাবক, পরিবারের সদস্য বা বৈধ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রযুক্তি কোম্পানিকে সময় বেঁধে দেওয়ার সুযোগ

ধারা ৪৯-এ নতুন বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা যোগ করার প্রস্তাব রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে সরকারের যোগাযোগের পদ্ধতি এবং অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লকের জন্য প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণ করে বিধি তৈরির সুযোগ রাখা হচ্ছে।

ফলে বাস্তবে কোনো প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ গেলে সেটি কত সময়ের মধ্যে কার্যকর করতে হবে—ভবিষ্যৎ বিধিমালায় তার কাঠামো নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

কণ্ঠরোধের অভিযোগ নিয়ে সতর্ক সরকার

২৯ জুন সংশোধনী প্রক্রিয়া পর্যালোচনার জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র, আইন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পররাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হয়েছে।

১০ সেপ্টেম্বরের পরামর্শ সভায় মো. মামুনুর রশিদ ভুঞা, ফকির মাহবুব আনাম, সালাহউদ্দিন আহমদ, মো. আসাদুজ্জামান, আন্দালিব রহমান ও শামা ওবায়েদের মতো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

আলোচনায় বিশেষ করে অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা যেন মতপ্রকাশ বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত করার হাতিয়ার না হয়—এমন উদ্বেগ উঠে আসে। ফলে খসড়ার চূড়ান্ত ভাষায় ক্ষমতা প্রয়োগের সীমা, স্বচ্ছতা ও প্রতিকারব্যবস্থা কতটা স্পষ্ট রাখা হয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

খসড়ার মূল চিত্র

প্রস্তাবিত সংশোধনীর সামগ্রিক চিত্রে তিনটি প্রবণতা স্পষ্ট—একদিকে গুজব, অপতথ্য, মানহানি ও বুলিংয়ের মতো নতুন বা বিস্তৃত অপরাধ যুক্ত হচ্ছে; অন্যদিকে এসব অপরাধে শাস্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে কনটেন্ট অপসারণ ও ব্লকের ক্ষমতা একাধিক সরকারি সংস্থার মধ্যে সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি কোম্পানির জন্য সময়সীমা নির্ধারণের আইনি কাঠামো তৈরির সুযোগ রাখা হচ্ছে।

তবে খসড়া নথির সঙ্গে আলোচনায় থাকা কিছু দাবির মধ্যে পার্থক্য থাকায় চূড়ান্ত আইন হওয়ার আগে কোন বিধান বাস্তবে থাকবে, কোনটি পরিবর্তিত হবে এবং কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের সুরক্ষা থাকবে—সেটিই নজর রাখার বিষয়।

//ডিবিটেক/আইএইচ/এসএমই/এমআইএসটি//