তিন ফ্লাইটে কাস্টমস তল্লাশি

শাহজালালে মোবাইল ডিসপ্লে ও ভেপ জব্দ

  • তিন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের কাছ থেকে ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে ও ৪৪টি ভেপ উদ্ধার
  • শাহজালালে মোবাইল ডিসপ্লে ও ভেপ জব্দ
    ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২০  

    আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে ও ইলেকট্রনিক ভ্যাপোরাইজার ডিভাইস (ভেপ) জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দারা।

    ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আসা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর নজরদারি জোরদার করে এসব পণ্য আটক করেন। অভিযানের আওতায় উদ্ধারকৃত সিগারেট, ভেপ ও ডিসপ্লে পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

    কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত দফতর সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়া থেকে আসা এয়ারএশিয়ার (একে ৭১) যাত্রী শিপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪টি ভেপ উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, চীনের গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের (বিএস ৩২৬) ফ্লাইটের দুই যাত্রীর ব্যাগেজে বিশেষ কৌশলে আনা মোবাইল ডিসপ্লের সন্ধান মেলে। এর মধ্যে যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছ থেকে ৯৮টি এবং শামীমা আক্তারের কাছ থেকে ৪৬টি ডিসপ্লে জব্দ করা হয়। ফলে ওই দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করে শুল্ক দফতর।

    একই দিনে দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের (ইকে ৫৮৪) যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় সন্দেহ হলে তার ব্যাগেজ স্ক্যান ও তল্লাশি করা হয়। পরে তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেন কর্মকর্তারা।

    একই দিনে দুবাই, মালয়েশিয়া ও গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে অবৈধ পণ্য বহনের ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আনা এসব চালানের নেপথ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে কি না এবং যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা।
    //ডিবিটেক/ওসি/এসই/ইআইসি//