প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি গুরুত্ব পাচ্ছে না: ক্যাসপারস্কি
প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানি ও নজরদারির ঘটনা বাড়লেও অনেক মানুষ এখনো এটিকে নির্যাতন হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছে ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কোনো না কোনো ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সচেতনতার বড় ঘাটতি রয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানির মধ্যে রয়েছে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট, গোপন নজরদারি, পরিচয় ভুয়া ব্যবহার, অনুসরণ এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব আচরণ অনেক সময় স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন-এর গবেষক ড. লিওনি মারিয়া ট্যানজার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতন এখনো ক্ষতিকর আচরণ হিসেবে যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। ফলে অনেক ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।
গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৩২ শতাংশ মানুষ ‘টেক-ফ্যাসিলিটেটেড অ্যাবিউজ’ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। অথচ ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা এ ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।
ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, স্টকারওয়্যার এখন বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে। এই সফটওয়্যার গোপনে স্মার্টফোনে ইনস্টল করে অবস্থান, কল, মেসেজসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নজরদারি করা যায়।
ক্যাসপারস্কির গবেষক তাতিয়ানা শিশকোভা বলেন, স্টকারওয়্যার সহজেই ইনস্টল করা যায় এবং এটি গোপনে কাজ করায় অনেক ভুক্তভোগী বুঝতেই পারেন না যে তারা নজরদারিতে রয়েছেন।
প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি মোকাবিলায় ক্যাসপারস্কি বিভিন্ন সংস্থা নিয়ে গঠিত ‘কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট স্টকারওয়্যার’-এর সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার ও সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ডিবিটেক/আরআই/এমইউএম



