জাপানের আরটেক এক্সিবিশনে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জনে প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম শিক্ষা চালুর উদ্যোগ সরকারের
- জাপান সরকারের অভিজ্ঞতা অনুসরণে প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম শিক্ষার ভিত্তি গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ। শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার নয়
- নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম মানবসম্পদ তৈরিই মূল লক্ষ্য
- পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণিত ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব ও মৌলিক রোবোটিক্স শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে
প্রযুক্তি কেবল ক্রয় করে ব্যবহার করলে অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমে না, বরং প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম (STEAM: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা ও গণিত) শিক্ষার মাধ্যমে নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করে প্রকৃত অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন করতে চায় বাংলাদেশ। জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত ‘আরটেক জেনারেল এক্সিবিশন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে শিশুদের প্রশ্ন করতে শেখানো, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং বাস্তবসম্মত সমস্যা সমাধানের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। শ্রমশক্তির বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে একটি উচ্চ মূল্যসংযোজনকারী জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি নির্মাণে প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম শিক্ষা আবশ্যক। জাপানের মেইজি পুনর্গঠন ও পরবর্তী প্রযুক্তিনির্ভর পুনরুত্থানের ইতিহাস বাংলাদেশের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
তিনি আরও জানান, সাশ্রয়ী ও ব্যবহারিক উপায়ে স্থানীয় পরিবেশভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্টেম শিক্ষা দেওয়া সম্ভব। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গণিত ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব ও মৌলিক রোবোটিক্স শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে এবং শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। আরটেক ও অক্টোব্রেইনের সহজ ও মডুলার শিক্ষা সরঞ্জামগুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সহজে অভিযোজিত করা যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এআই, জলবায়ু পরিবর্তন ও অটোমেশনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্টেমভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/ এসআইএম/ এনটিএম//





