ফ্লাইট চালুর সময়সূচিসহ বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রত্যাশা
ঢাকা-নিউ ইয়র্ক সরাসরি বিমান চালুর জোরালো দাবি প্রবাসীদের
- অন্তর্বর্তীকালীন পর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউ ইয়র্ক সফর ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার
- ২০০৬ সালের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি
- বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ, দেশে প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষা এবং মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর অনুরোধ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর জোর দাবি জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একইসঙ্গে বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধ, প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি রক্ষা এবং প্রবাসীর মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিও তুলে ধরেছেন তারা।
প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়েই ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুট পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ঘোষণা আসবে। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে চালু হওয়া এই রুটে ২০০৬ সালের ২৯ জুলাই সর্বশেষ ফ্লাইটটি নিউ ইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল। এরপর টানা দুই দশকের কাছাকাছি সময় ধরে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও রুটটি চালু হয়নি। প্রবাসীদের কেউ কেউ নিউ ইয়র্ক থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যেও সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব জানিয়েছেন।
সরাসরি বিমান চলাচলের পাশাপাশি বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা এবং দেশে তাদের জমিজমা ও ঘরবাড়ির দখল ঠেকাতে সরকারের কঠোর নজরদারির আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রবাসে কোনো বাংলাদেশি মারা গেলে সরকারি খরচে মরদেহ দেশে পৌঁছানো এবং পরিবার নিয়ে দেশে ফিরলে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও পেশ করেছেন তারা।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। নিউ ইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের এই যুক্তিযুক্ত ও দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
//ডিবিটেক/ইটিও/এসএমই/এমআইএসটি//





