সরকারের একমাত্র ভেঞ্চার ক্যাপিটালের প্রথম সফল এক্সিটে হেলথটেক খাতে তৈরি হলো নতুন মাইলফলক
স্টার্টআপ বাংলাদেশের ইতিহাস: পালসটেকের মাধ্যমে প্রথম সফল এক্সিট
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড প্রথম সফল এক্সিট সম্পন্ন করেছে
- হেলথটেক প্রতিষ্ঠান পালসটেকের বার্ষিক রাজস্ব ২ মিলিয়ন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
- এক্সিট প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন আইসিটি সচিব মামুনুর রশীদ ভূঁঞা ও সিইও নূরুল হাই
বাংলাদেশের উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি 'স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড' তাদের পোর্টফোলিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান 'পালসটেক লিমিটেড'-এর মাধ্যমে প্রথম সফল এক্সিট সম্পন্ন করেছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এক্সিট।
আইসিটি টাওয়ারে ৪ আগস্ট, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশেষ অনুষ্ঠানে এক্সিট প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশীদ ভূঁঞা, স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নূরুল হাই, পালসটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরেফীন রাফী আহমেদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কাজী আশিকুর রসুলসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আইসিটি সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁঞা বলেন, “উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধিতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করার দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আমাদের প্রথম সফল এক্সিট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক মাইলফলক এবং এটি দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন।”
স্টার্টআপ বাংলাদেশের সিইও নূরুল হাই জানান, এটি একটি টেকসই ভেঞ্চার ইকোসিস্টেম গড়ার অন্যতম ধাপ এবং এর মাধ্যমে আরও বেশি মূলধন প্রবাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পালসটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আরেফীন রাফী আহমেদ স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে পজিটিভ রিটার্ন দেওয়া সম্ভব, এ অর্জন তার বড় প্রমাণ।
২০২৪ সালে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ পাওয়ার পর দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিনির্ভর ফার্মাসিউটিক্যাল ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে হেলথটেক স্টার্টআপ পালসটেক। ১৮ মাসে প্রতি মাসে গড়ে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে কোম্পানিটির বার্ষিক রাজস্ব ২ মিলিয়ন ডলার থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে ১৪ হাজার ফার্মেসির মাধ্যমে ঢাকার ৮৫ লাখ মানুষকে সেবা দেওয়া পালসটেক আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্টার্টআপ বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৬টি সম্ভাবনাময় স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
//ডিবিটেক/ এসআইএম/ এমআইএস//





