ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থনে বিজয়ী যারা
য় কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ই-কমার্স ও ফিনটেক এই ৫টি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন’। প্রতিযোগিতায় অ্যাগ্রিটেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে দুইটি দল। এদের মধ্যে একটি গরুর খামারে বিভিন্ন ধরনের অটোমেশন সেবা দিয়ে বিজয়ী হয়েছে ‘গরু সেবা’ প্রকল্প। এই প্রকল্প দেখিয়ে প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দল ‘এপিব্রিয়াম’। একই ক্যাটাগরিতে আরেক বিজয়ী দলের নাম- ‘জিঞ্জার’। তাদের প্রকল্পের নাম হচ্ছে ‘অ্যাগ্রিসেন্স’। এই প্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও মাটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানানো যায়।
এছাড়াও হেলথ টেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে নিঞ্জা এআই। এডটেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘শিক্ষা এআই’ ও রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আকতারের ‘লার্নিফাই’।
রাজধানীর সোবহানবাগের ড্যাফোডিল প্লাজায় ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থনের আয়োজক মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ। এ বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে ৩৮৪টি দল নিবন্ধন করলেও প্রাথমিক বাছাইয়ের পর ৬২টি দলের ১৭২ জন উদ্ভাবক চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিটি দলকে ল্যাপটপ ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান আবুবকর হানিফ। উপস্থিত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রযুক্তিবিদ জুনায়েদ কাজী, আনিস রহমান, মুনির হাসান, মোহাম্মদ মাহদী-উজ-জামান এবং আরিফুল হাসান ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মো. সবুর খান বলেন, ‘আমাদের জীবনের সময় কিন্তু খুবই কম। সবাইকে এই সময়টুকুকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনে একটা লক্ষ নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। একটি জিনিসের প্রতি ফোকাস থাকতে হবে। অনেক কিছু একসঙ্গে করতে গেলে হবে না। জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে তা অর্জিত হবেই।’
আবুবকর হানিফ বলেন, আয়োজকেরা যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা খুবই সময়োপযোগী। আমি উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইনকিউবেশন সেন্টার আছে। যারা আজ এখানে বিজয়ী হবে, তাদের আমরা বিনিয়োগকারী পেতে সেখান থেকে সহযোগিতা করব।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিজয়ীদের এই প্রজেক্টগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) দল ‘NOOB101’ তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানায়, “ভার্সিটি জীবনের শেষ পর্যায়ে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। লিংকড ইনে বিজ্ঞপ্তি দেখে বন্ধুদের নিয়ে চলে আসা। অফলাইনে আয়োজিত এই প্রোগ্রাম থেকে অনেক নতুন আইডিয়া ও মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলেছে।”
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দল ‘CUET Mongolchari’ জানায়, বিশ্বজুড়ে এআই-এর যে বিপ্লব চলছে, তার সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করার এই উদ্যোগে শামিল হতে পেরে তারা আনন্দিত। এই আয়োজনে রাজশাহী ক্যান্টমেন্ট বোর্ড স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আকতার নিব তার নিজের তৈরি করা ‘AI Tutor’ প্রজেক্ট নিয়ে হাজির হয়। এই প্রজেক্টের সম্ভাব্য কার্যকারিতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে সাবিহা জানান: “অনেক শিক্ষার্থীকেই কোচিং বা প্রাইভেটে পড়ার জন্য অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়। এছাড়া, একটা বিষয় বার বার বোঝার প্রয়োজন হলেও অনেক সময় সেটা সম্ভব হয় না। এই পরিস্থিতিতে এআই দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। সেই ধারণা থেকে এই প্রজেক্ট তৈরি করা”







