ডিসেম্বরে উদ্বোধন লক্ষ্য, এন্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও এটিসিতে রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা
থার্ড টার্মিনাল চালুতে জাপানের সঙ্গে চুক্তি সেপ্টেম্বরে
- আগস্ট-সেপ্টেম্বরে জাপানের সঙ্গে চুক্তির আশা
- ডিসেম্বরে থার্ড টার্মিনাল চালুতে প্রস্তুতি জোরদার
- বিমানবন্দরে এন্টি-ড্রোন প্রযুক্তি কেনার পরিকল্পনা
ডিজিটাল বিমান পরিচালনা, স্মার্ট নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং আধুনিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আগস্টের শেষ অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে চুক্তি সই হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
২০ জুলাই, সোমবার রাজধানীতে সিভিল অ্যাভিয়েশন ও এয়ার ট্রাফিক অপারেশন বিষয়ক এক কর্মশালায় বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ডিসেম্বরেই থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। টার্মিনালটি উদ্বোধনের পর এর অপারেশনাল কার্যক্রম আর বন্ধ থাকবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ জুলাই দরপত্র জমা দেবে। এরপর মূল্যায়ন শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর টার্মিনালে স্থাপিত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির দায়িত্ব গ্রহণ, পরীক্ষা (ক্যালিব্রেশন) এবং পরিচালনাসংক্রান্ত প্রস্তুতি শুরু করবে জাপানি কনসোর্টিয়াম। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবলও নিয়োগ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, বড় আন্তর্জাতিক টার্মিনালের ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতির ক্যালিব্রেশন ও অপারেশনাল পরীক্ষা সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে টার্মিনাল চালু করা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও বেবিচক নির্ধারিত সময়সীমা বজায় রাখতে কাজ করছে।
কর্মশালায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে এ বছরই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য এন্টি-ড্রোন (Anti-Drone) সিস্টেম কেনার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তার স্বার্থে গণমাধ্যমকর্মীদের বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন না ওড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর আকাশপথ ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গ তুলে বেবিচক জানায়, দেশের সমুদ্রসীমাজুড়ে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সক্ষমতা সম্প্রসারণের ফলে বিদেশি উড়োজাহাজের ফ্লাইট চার্জ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৮ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বাটজা)-এর সদস্য সাংবাদিকদের হাতে সনদ তুলে দেন বেবিচক চেয়ারম্যান। এসময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহ্বুব খান, প্রশাশন শাখার সদস্য এস এম লাবলুর রহমান এবং প্রশিক্ষক ও সদস্য (এটিএম) এয়ার কমডোর মোঃ নূর-ই-আলম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাটজার আহ্বায়ক আলীমুজ্জামান সাফওয়ান এবং সদস্য সচিব ইমন চৌধুরীর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্যরাও প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
//ডিবিটেক/ সিটিআর/এসএই//





