কমল বীজ উৎপাদনে আশা জাগাচ্ছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন
ব্রি ১০৮ এর নতুন ভ্যারাইটি কমল। এই বীজটি রোপন করলে প্রতি বিঘায় মেলে ৩০ মণ ধান। চারা রোপনের ১২০ দিনের মাথায় চারা থেকে ধানের ফলন মেলে। চাল হয় ছোট ও জিরা শালের মতো চিকন। এই ধানের বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের কাছে স্বল্প মূল্যে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যে গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় এই বীজ উৎপাদনের পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংগঠনটি।
গাজীপুরের চুপাইর মৌজায় ৫ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৩০ বিঘা জমিতে ১০ জন কৃষক বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রে উৎপাদিত ব্রি-১০৮ জাতের কমল প্রত্যয়িত বীজ বপন করে। এই বীজ চাষীদের নিয়ে মত বিনিময় করলো জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডঃ জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায় ১১ এপ্রিল, শনিবার বিকেলে গাজীপুর কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপারই এলাকার কৃষক আয়েত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের সাথে কমল বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের উপর এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম পরিচালক খন্দকার মাহফুজুল বাচ্চুর নেতৃত্বে কৃষকদের সঙ্গে উঠোন বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, ফাউন্ডেশনের পরিচালক খন্দকার মাহবুব আলম। ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. আশরাফুল হক, কৃষিবিদ ড.মো. আকিকুল ইসলাম আকিক, মোহাম্মদ আলী, ড. জাকির হোসেন, ডাক্তার শফিকুল আহাদ সর্দার স্বপন, ফাউন্ডেশন এর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক।
অপরদিকে কৃষক কামাল হোসেন শেখ ও ইব্রাহিম খান ধান রোপন ও উৎপাদন নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর আগে চুক্তিবদ্ধ কৃষক ও জমির মালিকদের সাথে মাঠ পরিদর্শন করে সেখানে কৃষকদের সাথে কথা বলেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। মাঠজুড়ে ধানের শীষের সমারোহে খুশী তারা। বীজ বপনের ৩১ দিনের মাথায় মিলছে চারা। সব মিলয়ে ধান পেতে সময় লাগে ১৫১ দিন। সেই হিসাবে আগামী ১২-১৫ দিনের মাথায় ধান কাটতে পারবে কৃষক কামাল হোসেনেরা।
জানাগেলো, অচিরেই ন্যায্যমূল্য স্বল্প সময়ে অধিক ফলদায়ী কমল প্রত্যয়িত বীজটি যেন ক্রয় করে জমিতে লাগাতে পারেন সেজন্য এই বীজ উৎপাদন কর্মসূচি হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা। তারা জানালেন, এবার দুইটি অঞ্চলে বীজ উৎপাদিত হলেও আগামীতে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে।
ডিবিটেক/এমএসআর/ইকে



