গার্ডিয়ানের সুরক্ষা ছাতার নিচে ফাইবার অ্যাট হোমের কর্মীরা
জীবনবীমা প্রতিষ্ঠান গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বিস্তৃত ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষার আওতায় এসেছে টেলিকম খাতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেড। চুক্তি অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার সানিয়াত রহমান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব গ্রুপ বিজনেস গাজী রাফি আহমেদ শামস, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ডেপুটি হেড অব গ্রুপ সার্ভিসেস ইফতেখার আহমেদ, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ বিজনেস লিড মোহাম্মদ শোয়েব এবং কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার–গ্রুপ বিজনেস মুবাসসির বুশরা উপস্থিত ছিলেন।
ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) জসিম উদ্দিন, কোম্পানি সেক্রেটারি কাজী সালাউদ্দিন, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) মো. মাসুদ রাব্বি, সিনিয়র ম্যানেজার (এইচআর) মো. লুৎফুল কবির এবং ডেপুটি ম্যানেজার (এইচআর) সাদ্দাম হোসেনসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১৭ মে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,গত ১০ মে রাজধানীর গুলশানে গার্ডিয়ানের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। গার্ডিয়ানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ এবং ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রফিকুর রহমান, পিএসসি (অব.) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। নতুন এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এখন থেকে আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার সমন্বিত সুবিধা পাবেন।
দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ফাইবার অ্যাট হোমের কর্মী ও তাদের পরিবার গার্ডিয়ানের জীবনবীমা সুরক্ষার পাশাপাশি দেশব্যাপী ৪৫০টিরও বেশি পার্টনার হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করপোরেট কর্মীদের জন্য আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এ অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে।
চুক্তি প্রসঙ্গে শেখ রকিবুল করিম বলেন, “যোগ্য ও দক্ষ কর্মীদের আকৃষ্ট করা এবং ধরে রাখার ক্ষেত্রে সমন্বিত কর্মী-সুবিধা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফাইবার অ্যাট হোমের কর্মী ও তাঁদের পরিবারের জন্য নির্ভরযোগ্য জীবনবীমা ও চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। এর ফলে তাঁরা আরও বেশি মানসিক স্বস্তি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে পারবেন।”
ডিবিটেক/এসআই/এমইউএম



