সিপিআর দিলে মৃত্যুঝুঁকি কমে ২–৩ গুণ

সিপিআর দিলে মৃত্যুঝুঁকি কমে ২–৩ গুণ
২২ মে, ২০২৬ ২২:১৯  

হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর দ্রুত সিপিআর প্রয়োগ করতে পারলে মৃত্যুঝুঁকি দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তারা বলেছেন, হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রতি মিনিটে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০ শতাংশ করে কমে যায়।

জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের একাডেমিক ভবনে ২১ মে, শুক্রবার বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে সিপিআর প্রয়োগের বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়। মে মাসের ব্যাচে ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম মোর্শেদ এবং সিমেক হেলথের রেসিডেন্ট মেডিক্যাল অফিসার ডা. নীলাঞ্জনা রায়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিমেক হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান। এ সময় সিমেক হেলথের ডিরেক্টর ও ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ মো. মইনুল ইসলাম বলেন, পরিবার ও কর্মস্থলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিপিআরের মতো জীবন রক্ষাকারী প্রশিক্ষণ সবার জানা প্রয়োজন।

সমাপনী বক্তব্যে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সভাপতি শহীদ সালাম ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চিকিৎসকদের মতে, দেশে হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঘটনা বাড়ছে। হাসপাতালে নেওয়ার আগ পর্যন্ত সঠিকভাবে সিপিআর প্রয়োগ করতে পারলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

অনুষ্ঠানে আগ্রহীদের সিপিআর প্রশিক্ষণে অংশ নিতে সিমেক হেলথের হটলাইন নম্বর ০১৩২৫৭৭৫৭৫৭ এবং ০১৭১৭৭৫৭৫৯৩-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

ডিবিটেক/বিএমও/এমইউএম