এমএফএসের অপব্যবহার রোধে পুলিশ ও বিকাশের কর্মশালা
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তির অপব্যবহারকারীদের ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করতে নওগাঁ, নাটোর ও দিনাজপুরে বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ ও দেশের শীর্ষ এমএফএস প্রতিষ্ঠান বিকাশের যৌথ উদ্যোগে এই তিন জেলায় দিনব্যাপী সমন্বয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অপরাধী চক্রের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও প্রাপ্ত তথ্য কীভাবে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে তাদের আইনের আওতায় আনা যায়, সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ের তদন্ত কর্মকর্তাদের বিস্তারিত কারিগরি ধারণা দেওয়া হয় এই আয়োজনে।
২৪ মে, রবিবার, বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানায়- সম্প্রতি, পিবিআই নাটোর ও জেলা পুলিশ নওগাঁর নিজ নিজ সম্মেলন কক্ষে এবং দিনাজপুর পুলিশ লাইন্স ইন-সার্ভিস ট্রেইনিং সেন্টারে “মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অপব্যবহার তদন্ত ও প্রতিরোধ” শীর্ষক পৃথক ৩টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশ ও পিবিআইয়ের ১৪০ জন কারিগরি ও তদন্ত কর্মকর্তা অংশ নেন। স্ব-স্ব জেলায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালাগুলোতে পিবিআই নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, নওগাঁর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এবং দিনাজপুরের জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিকাশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ইভিপি ও হেড অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মেজর (অব.) এ কে এম মনিরুল করিম।
কর্মশালাগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার করে গ্রাহকের প্রতারিত হওয়া বা হারানো টাকা অনুসন্ধানের আধুনিক কৌশল, ডিজিটাল লেনদেন রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ ও অপহরণের মতো অপরাধ প্রতিরোধের উপায় এবং তদন্তের স্বার্থে বিকাশের সেন্ট্রাল ডেটাবেজ ও কর্মকর্তাদের সাথে দ্রুত যোগাযোগের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, ডিজিটাল লেনদেনের প্রতিটি ডাটা ট্র্যাক ও মনিটর করা সম্ভব হওয়ায় পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআইয়ের মতো তদন্তকারী সংস্থাগুলোর অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখন অনেক সহজ ও নির্ভুল হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া বিকাশের এই ধারাবাহিক সচেতনতামূলক উদ্যোগে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৪ হাজার ৫০০ তদন্ত কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন।
/ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম/



