ইন্টারনেটকে জরুরি সেবা চিহ্নিত করে কর অব্যাহতির দাবি

ইন্টারনেটকে জরুরি সেবা চিহ্নিত করে কর অব্যাহতির দাবি
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:০০  
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৫  

ইন্টারনেট সেবাকে জরুরি পরিষেবা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এ খাতে আয়কর অব্যাহতির দাবি জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। একইসঙ্গে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আমদানিতে বিদ্যমান ৬৩ দশমিক ৪০ শতাংশ করভার প্রত্যাহারের আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে ২৫ এপ্রিল, শনিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সংঠনের কোষাধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমেদ। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক রাশেদুর রহমান রাজন, এডিএন  টেলিকম লিমিটেডের সিএফও নাজিমউদ্দিন ও অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডের সিএফও সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও সংগঠনের সচিবালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অফিস সেক্রেটারি বিজয় কুমার পাল ও অ্যাকানউন্টস ম্যানেজার মঈনুল ইসলাম। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। একই সভায় প্রযুক্তি খাতের অপর সংগঠন বিসিএস এবং ই-ক্যাব প্রতিনিধিরা অংশ নেন।  সূত্রমতে. ২৬ এপ্রিল প্রস্তাবনা দেবে বেসিস। 

আলোচনায় আইএসপিএবি জানায়, ইন্টারনেট মডেম, রাউটার ও সার্ভারের মতো নেটওয়ার্কিং পণ্যের ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ কর শূন্যে নামিয়ে আনা হলে সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে। সংগঠনটির মতে, ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটরদের উচ্চ ট্রান্সমিশন খরচ এবং জেলা পর্যায়ে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

এছাড়া, ইন্টারনেট সেবাকে সাশ্রয়ী করতে ভ্যাটকে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে আইএসপিএবি জানায়, গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট থাকলেও আইএসপিগুলোকে অফিস ভাড়া ও অন্যান্য খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়, যার কোনো সমন্বয় সুবিধা নেই। ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ইন্টারনেট সেবার সব পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়।

প্রাক-বাজেট এই আলোচনায় উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, ইন্টারনেটের প্রসার এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম