কিস্তিতে ৬ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন!
৫ বছরে টেলিকম খাত থেকে জিডিপিতে অবদান ১৫ শতাংশে উন্নীতের পথে হাঁটছে সরকার
জিডিপিতে দেশের টেলিকম খাতের কন্ট্রিবিউশন আগামী পাঁচ বছরে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করেন রেহান আসিফ আসাদ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আগামীতে গ্রাহক সংখ্যায় নয়; সেবায় বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে থাকবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, এজন্য গ্রাহক সংখ্যায় শীর্ষে না থেকে সেবায় বিশ্বে প্রথম কাতারে উঠতে চাই আমরা। সে কারণেই আমরা সবার সঙ্গে বসেছি। বৈশ্বিক পর্যায়ে মোবাইল অপারেটরদের ওপর ট্যাক্স দ্বিগুণ। ২০-২৫ শতাংশ। তবে আমি অপারেটরদের ভিউ থেকে দেখলে ১৫ শতাংশ হলেও আমাদের এই হার ৬.৫ শতাংশ। সামস্টিক অর্থনীতিতে আমাদের এই হার বিশ্বের সবার নিচে। তাই এখানে সরকারের পক্ষ থেকে ট্যাক্স কমানো খুবই কঠিন।
১৬ মে, শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয় এই সেমিনারটি। টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত এক নীতি নির্ধারণী সেমিনারে দেয়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানান তিনি।
দেশের টেলিকম খাত নিয়ে প্রচলিত পরিসংখ্যানের নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, এই বাজেটে আমরা সব সমস্যা সমাধান করতে পারবো না। তবে আমরা গ্রাহককে সামনে রেখে সবচেয়ে বড় সুখবর দিতে পারবো। বিদেশী বিনিয়োগ আনতে আমরা চেষ্টা করছি। আমরা স্থানীয় ও বিদেশী উদ্যোক্তাদের জন্য ভ্যাট-ট্যাক্স-যন্ত্রংশ আমদানিতে ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা করে পরের রোড ম্যাপও প্রকাশ করবো।
মোবাইল ফোনের দাম কমানো বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজার অনুযায়ী, ৬০ ডলারের মধ্যে ডিভাইস তৈরির সরঞ্জাম ব্যয় ধরে আমরা দেশে ৫-৬ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন বাজারে আনার বিষয়ে চেষ্টা করছি। কিস্তি সুবিধায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তরঙ্গ থেকে আয় করা সরকারের লক্ষ্য নয় উল্লেখ করে রেহান বলেন, আমরা এর সর্বোচ্চ ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছি। সার্বভৌম জাতি হিসেবে সাইবার সুরক্ষা, এআই, ডিজিটাল অ্যাডাপশনে গুরুত্বারোপ করে বাজেটের পরে রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের সরকার বিনিয়োগ করবে।
ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে



