জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে চুয়েটে শহীদদের স্মরণ, ঐক্য ও জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চুয়েটে দিনব্যাপী কর্মসূচি
  • শহীদদের স্মরণ ও জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান
  • শিক্ষা, গবেষণা ও জাতীয় উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে চুয়েটে শহীদদের স্মরণ, ঐক্য ও জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান
৫ আগষ্ট, ২০২৬ ১৫:৫৭  

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) দিনব্যাপী আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত, বাংলা অনুবাদ এবং দোয়া পরিচালনা করেন চুয়েট স্টাফ কোয়ার্টার মসজিদের ইমাম হাফেজ কারী মাওলানা হামিদ উল্লাহ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সমাজে বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য বজায় রেখে দেশের উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাস্তবতা ও সত্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা এবং জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।

উপাচার্য আরও বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করলে সফলতা অর্জন সম্ভব। হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেশের উন্নয়নে চুয়েটের দায়িত্ব আরও বেশি উল্লেখ করে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

//ডিবিটেক/আইইএম/এসএমইউ//