জিডিপিতে আইসিটি ও টেলিকমে সরকারের লক্ষ্য ১০ থেকে ১৫ শতাংশ
গ্রাহকদের ওপর থেকে উচ্চ করের বোঝা কমাতে অচিরেই কার্যকর পদক্ষেপ
বর্তমানে জিডিপিতে আইসিটি ও টেলিকম খাতের অবদান ২ থেকে ৪ শতাংশ, যা ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আর এ জন্য তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট এবং সহায়ক নীতিমালা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টেলিকম ও আইসিটি খাতের গ্রাহকদের ওপর থেকে উচ্চ করের বোঝা কমাতে অচিরেই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানালেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
তিনি বলেন, বর্তমানে আইসিটি ও টেলিকম খাতে করের হার ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ। ফলে একজন গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৬২ টাকার সেবা পান এবং বাকি ৩৮ টাকাই কর হিসেবে কেটে নেওয়া হয়। গ্রাহককে সুবিধা দিতে এই কর কাঠামোতে ভারসাম্য আনার কাজ চলছে।
বক্তব্যে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল ফাইবার ব্যাকবোন’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন, সব অপারেটর যাতে সমান সুবিধা পায় এবং সেবার মান উন্নত হয় সে জন্য ন্যাশনাল ফাইবার ব্যাকবোন গড়ে তেলা হবে।
আগামী পাঁচ বছরে সরকারের আইসিটি উন্নয়নের তিনটি মূল স্তম্ভের কথা তুলে ধরে প্রধানমনমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এই তিনটি স্তম্ভ হচ্ছে কানেক্টিভিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ‘এক নাগরিক, এক ডিজিটাল আইডি’। এই পরিকল্পনার আওতায় প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে, যেখানে পরিচয়পত্র, আর্থিক লেনদেন ও সরকারি সেবা একই সঙ্গে পাওয়া যাবে।
১৩ এপ্রিল, সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ‘ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
আইএসপিএবি-র সভাপতি আমিনুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবদুন নাসের খান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এবং আইএসপিএবি-র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া।
ডিবিটেক/এমএআর/এমইউআইএম



