টেলিযোগাযোগ সংশোধনী বিল অধ্যাদেশ ২০২৬ পাস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে কণ্ঠভোটে পাশ হালো টেলিযোগাযোগ সংশোধনী বিল অধ্যাদেশ ২০২৬।
৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে মন্ত্রী সংসদের সামনে বিল আকারে উত্থাপন করলে কেউই এর বিরোধিতা করেননি।
বিলটির ওপর দফা ওয়ারি সংশোধনী না থাকায় বিলের ২ থেকে ৬৯ দফা এই বিলের অংশ হিসেবে অন্তর্ভূক্তির পক্ষে রায় দেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যরা। এরপর ধারগুলো বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে সংসদ।
এরপর বিলের দফা-১ এ থাকা প্রস্তাবনা,বলবৎকরণ, প্রবর্তন ও শিরোনামার পক্ষে রায় দেন সংসদস্যরা।
সবশেষে বিলটি পাশ করার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবেদন করলে সর্বসম্মতি ক্রমে তা পাশ হয়।
একই অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের নয়টি অধ্যাদেশ অবিকল রেখে আরও ১১টি বিল পাশ হয় সংসদে। তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২৬; বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল-২০২৬; শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল-২০২৬; বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২৬; পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল-২০২৬; বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল-২০২৬; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল-২০২৬; স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল-২০২৬ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাশ করে সংসদ।
আর ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ পাস করে পূর্ববর্তী অধ্যাদেশ দুটি বাতিল কার হয়।
এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের মূল ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনঃপ্রচলন করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালের আইনি কাঠামো পুনরায় ফিরে এলো।
সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়। এ সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম



