পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ছবি-ভিডিও শেয়ার করলেই এনআইডি ব্লক
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কমিশনের সংশ্লিষ্ট বার্তায় বলা হয়, পোস্টাল ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা ভোটারের অধিকার ও দায়িত্ব। ভোট দেওয়ার তথ্য বা ব্যালটের ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করাসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টাল ভোটের যেকোনো ধরনের পোস্ট দেওয়া বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্য ইসি ভোটারদের অনুরোধ জানিয়েছে। অথ্য অধিদপ্তর থেকেও এ বিষয়ে সচেতন করতে ইলেকট্রনিক্স ও অনলাই গণমাধ্যমগুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কেউ ভোট দেওয়ার ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে এবং সেটি শনাক্ত করা যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার এনআইডি ব্লক করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হবে। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সময় ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ভোটারকে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। যদি কোনো ভোটার এই অঙ্গীকারনামা না দেন, তবে তার ভোটটি গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
ইসি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের পাশাপাশি নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারছেন। ডাকযোগে ব্যালট পেপার পেতে প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশের সঠিক ঠিকানা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ইসি। প্রয়োজনে নির্ভরযোগ্য বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কোনো প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
ইসির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ভোটারদের মধ্যে পোস্টাল ভোটের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, মোট ১২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ জন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।
ডিবিটেক/জিএনও/ইকে







