লাইসেন্স নবায়নের জোর দাবি আইএস পিএবির

লাইসেন্স নবায়নের জোর দাবি আইএস পিএবির
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৮  
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১২  

ঐতিহ্যবাহী  মেজবানে সমাপন হবে ব্রডব্যন্ড এক্সপো ২০২৬। শুরু হচ্ছে ১৩ এপ্রিল, সোমবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া এই মেলায় এআই, আইওটি ও রোবটিক্স নির্ভর ২৫টি উদ্ভাবনী প্রকল্প তুলবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি প্রতিদিন  ১০টা-৮টা পর্যন্ত ১০টি প্যাভিলিয়ন, ৩৫টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২০টি স্টলে ব্রডব্যান্ড সেবার আদ্যোপান্ত তুলে ধরবে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি থাকবে একটি এক্সপেরিয়েন্স জোন, যেখানে দর্শনার্থীরা এসব প্রযুক্তি সরাসরি দেখতে ও অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

এছাড়া বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক পণ্য প্রদর্শন করবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি মেলায় অংশ নিচ্ছে ২টি বিদেশি ভেন্ডর।

১১ এপ্রিল, শনিবার রাজধানীর বনানীতে আয়োজক ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোশিয়েশন বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) স্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

১৩ এপ্রিল ট্রিপল প্লে’র ঝলক দেখাবে ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬

সংবাদ সম্মেলনে মেলার আয়োজন তুলে ধরেন তথ্য তুলে ধরেন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনু হাকিম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক  নাজমুল করিম ভূইয়া, সহ-সভাপতি নিয়ামুল হক খান, যুগ্ম মহাসচিব ফুয়াদ আহমেদ শরফুদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মইন উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে আইএসপিএবি সভাপতি জানান শিগগিরই নতুন সরকারের কাছে টেলিকম পলিসিতে বিদ্যমান বিভিন্ন ক্লজের বিষয় আপত্তি তুলে ধরবে সংগঠনটি। তিনি বলেন, দেশে ব্রডব্যান্ড ইমিটেশন শতাংশ। এই হার নিয়ে সরকার-গ্রাহক কেউই খুশি নয়। এই অবস্থার উত্তরণে আমরা নতুন সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। সরকার যেহেতু পুরনো নীতিমালাই অনুসরণ করছে তাই আমরা এ বিষয়ে এখনই বড় ধরনের কোন আন্দোলনে যাচ্ছি না। তবে অনেকের লাইসেন্স মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেগুলো নবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি।

নতুন সরকার টেলিকম সংশ্লিষ্টদের যৌক্তিক দাবিগুলো পুরণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকারীন সরকার টেলিকম গাইড লাইন ও পলিসি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সকল স্কেটহোল্ডাদের পরামর্শ নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে বার বার দাবি করলেও তারা তা শুনেননি। আমরা আশা করছি, বর্তমান সরকার সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে টেলিকম পলিসি নির্ধারণ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৩ এপ্রিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান এ. আসাদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবদুন নাসের খান এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী।

এক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১৫ এপ্রিল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এবং বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক।

সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হবে গ্র্যান্ড মেজবানে। মেজবানে অংশ নিতে প্রয়োজন হবে বিশেষ টোকেন।

‘লিংকিং পিপল, লিংকিং ফিউচার’  প্রতিপাদ্যে এবারের এক্সপোতে স্পন্সর তালিকায় প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ফাইবার এসএইচজি হোম লিমিটেড এবং সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। ডায়মন্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে আম্বার আইটি লিমিটেড, সি-ডাটা, ওএফএস ক্যাবলস এবং রেস অনলাইন লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সরদের মধ্যে রয়েছে কেএস নেটওয়ার্ক লিমিটেড, সার্কেল নেটওয়ার্ক, এডিএন টেলিকম লিমিটেড, সিএইচএএম ক্লাউড লিমিটেড, এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড, ডট ইন্টারনেট, লিংক থ্রি কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এআরএ টেকনোলজিস লিমিটেড, জিএএমএমএ ইনোভেশন লিমিটেড, ম্যাজিস্ট্রো টেকনোলজিস লিমিটেড, এফসিএপিএস লিমিটেড, সাউথ বাংলা লিমিটেড, এক্সাবাইট লিমিটেড এবং জিনিউ বাংলাদেশ লিমিটেড।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইএসপিএবি সহসভাপতি সিআরএম হক খান, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব আলম রাজু, পরিচালক রাশেদুর রহমান রাজন, মো. মিঠু হাওলাদার, সাব্বির আহমেদ, রাইসুল ইসলাম তুহিন, মো. জুবায়ের ইসলাম, এস এম সাইফুল ইসলাম সেলিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্পন্সর প্রতিনিধিরা।

 ডিবিটেক/এসএম/ইকে