এআই নির্ভর ৮৬ হাজার অপতথ্য সনাক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরইমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ৮৬ হাজার অপতথ্যের কনটেন্ট সনাক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই কনটেন্টগুলো মধ্যে ৩৬ হাজার ঘৃণাছড়ানোর মতো হিংসাত্মক।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্মের সহায়তায় এসব এআই ভিত্তিক অপতথ্য চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইউএনডিপি ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্ম তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে তথ্য দিয়েছে, এতে ৮৬ হাজার কনটেন্টের অধিকাংশই তৈরি হয়েছে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল অঞ্চল থেকে। অপতথ্যের ৯০ শতাংশ ছড়ানো হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এআইভিত্তিক এসব অপতথ্য সবচেয়ে বেশি ছড়ানো হচ্ছে মেটা প্লাটফর্ম থেকে। মেটার ফেসবুক থেকে ৮৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ১০ দশমিক ১২ শতাংশ কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে এক্স থেকে।
এই প্লাটফর্মগুলো থেকে ছড়ানো অপতথ্যের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহকে নিয়েও ছড়ানো হয়েছে অপতথ্য। এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে ছড়ানো অপতথ্যের কনটেন্ট ছড়ানোরে বিষয় সনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। সেসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
জানাগেছে, বাহিনীগুলো স্ব স্ব সেল থেকে এসব অপতথ্য মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ছাড়া ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)ও ইসিকে এআইভিত্তিক অপতথ্য মোকাবিলায় সহায়তা দিচ্ছে। সেই সহায়তার ফলে এরইমধ্যে সিইসি ও নির্বাচন কমিশন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর নামে খোলা ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে ইসি।
ডিবিটেক/বিএনএন/ইকে



