নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট না আসলে গণনা করা হবে না: ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা। ভোট দিতে অ্যাপেই ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সাত লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন রয়েছেন ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি চাকরিজীবী, কয়েদি আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
ব্যালট পেপার হাতে পাওয়ার পর অ্যাপে লগ ইন করে ব্যালট ট্র্যাকিং এ ক্লিক করে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন পোস্টাল ভোটাররা। ২৫ জানুয়ারির মধ্যে অ্যাপে লাইভ ফটো দিয়ে খামের ওপর থাকা কিআরকোড স্ক্যান করে তবেই পছন্দের প্রার্থী ও গণভোটে নিজের রায় জানাতে পারছেন তারা। এখন ভোট পড়া সেই ব্যালট হাতে পেতে অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশন।
তাদের ব্যালট ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে না পৌঁছালে সেসব ব্যালট গণনা করা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে দ্রুত তা পাঠানোর জন্য বলেছে সংস্থাটি। ২৪ জানুয়ারি, শনিবার নির্বাচন কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন বলছে, মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটারগণ ব্যালট প্রাপ্তির পর যত দ্রুত সম্ভব ভোটদান সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে হলুদ খাম জমা দিন। রিটার্নিং অফিসারের নিকট ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪:৩০ ঘটিকার মধ্যে ব্যালট পৌঁছালেই শুধুমাত্র ভোট গণনায় সম্পৃক্ত হবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পোস্ট করা না হলে নির্ধারিত সময়ে রিটার্নিং অফিসারের নিকট ব্যালট নাও পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এজন্য প্রবাসী ভোটারদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান কার্যক্রম সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিসে পাঠাতে হবে।
দেশের ভেতরের তিন শ্রেণীর নাগরিক-সরকারি চাকরিজীবী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও কয়েদীরা, এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়া ১২০টির বেশি দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরাও এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন। সবমিলিয়ে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটারের ভোটগ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।
ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে







