হিউম্যান-এক্স সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘ক্লড’
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ‘হিউম্যান-এক্স’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলনে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়ীদের মুখে এখন একটিই নাম—‘ক্লড’। একসময় চ্যাটজিপিটির একচেটিয়া আধিপত্য থাকলেও বর্তমানে অ্যানথ্রোপিক-এর তৈরি এই চ্যাটবটটি পেশাদার ও কোডিং জগতে নতুন জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্টার্টআপ ও প্রযুক্তিবিদদের মতে, ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি অনেকটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পড়েছে। যদিও সম্প্রতি ১২২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল তহবিল সংগ্রহ এবং আইপিও-র পথে হাঁটছে প্রতিষ্ঠানটি, তবুও তাদের কার্যক্রমে এক ধরনের অস্থিরতা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন প্রচারের সিদ্ধান্ত, ভিডিও জেনারেটর ‘সোরা’ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানকে নিয়ে নানা বিতর্ক ওপেনএআই-এর ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষুণ্ণ করেছে।
অন্যদিকে, ‘ক্লড’ তার সাবলীল ও নিখুঁত কার্যকারিতার জন্য বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপারদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠছে।
হিউম্যান-এক্স সম্মেলনে অংশ নেওয়া অনেক ভেন্ডর জানিয়েছেন, তারা এখন চ্যাটজিপিটির চেয়ে ক্লড ব্যবহারেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, প্রযুক্তির ইতিহাসে ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিক বর্তমানে দ্রুততম ক্রমবর্ধমান দুটি প্রতিষ্ঠান। তবে মাঠপর্যায়ে অনেক ব্যবহারকারীই এখন মনে করছেন, চ্যাটজিপিটি তার আগের ধার হারিয়ে ফেলছে।
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ওপেনএআই সম্প্রতি ১০০ ডলারের একটি নতুন মাসিক সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান চালু করেছে, যা মূলত কোডারদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এআই-এর এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজারে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিবিটেক/বিএমটি । সূত্র: টেকক্রাঞ্চ







