উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে যুব উদ্ভাবনের নতুন সুযোগ
দেশের যুব উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী সমাধানকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন সুযোগ তৈরি করেছে সেভ দ্যা সিলড্রেন। এ লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে যুব-নেতৃত্বাধীন ইনোভেশন ল্যাব (ওয়াইআইএল) ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্ভান প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে ৫টি উদ্যোগ। এগুলো হলো- বনলতা, ড্রিম পাওয়া. ক্র্যাফ্টিক ও অন্বেষা।
বনলতা: চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকায় পরিত্যক্ত নারিকেলের ছোবড়া সংগ্রহ করে কৃষি, বাগান ও শহুরে কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য কোকোপিটে রূপান্তর করছে।
ড্রিম পাওয়ার: ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী সৌরচালিত মশা নিধন যন্ত্র তৈরি করছে।
ক্রাফটিক: শিল্প কারখানার চামড়ার বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে ব্যাগ, পার্স ও গয়না তৈরি করছে।
অন্বেষা: কল্যাণপুর বস্তি এলাকায় নারীদের জন্য এক জায়গায় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার কেন্দ্র তৈরি করছে।
ড্রাই নিউট্রি: রংপুরের দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় অপুষ্টি ও আয়োডিন ঘাটতি মোকাবিলায় শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য পুষ্টিগুণসম্পন্ন পাউডার ‘ছাতু’ তৈরি করছে।
অনুষ্ঠানে জনানো হয়, শ্রমবাজারে ১৫-২৯ বছর বয়সী যুবদের হার ৩৬ শতাংশ, এই বয়সভুক্ত কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২ কোটি ৬৮ লাখেরও বেশি। তাই ভবিষ্যৎ সুযোগ সৃষ্টি ও উদ্ভাবনে তরুণদের ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।
আয়োজকরা জানান, চারটি বিভাগ ও ১৪ জেলার নির্বাচিত যুব উদ্ভাবকরা সরকারি দফতর, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, এনজিও, বেসরকারি খাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের নিজ নিজ ব্যবসায়িক উদ্ভাবন উপস্থাপন করেছেন। গত ৫ বছরে ওয়াইআইএলের সহায়তায় ২৪টি ব্যবসায়িক উদ্যোগ কাজ করে যাচ্ছে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। ২০২৩ সাল থেকে পরিবেশবান্ধব ও সবুজ উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে টেকসই ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা হচ্ছে।







