ইভ্যালির রাসেলকে ধরিয়ে দিতে রাজধানীতে পোস্টার
ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মো. রাসেলকে ধরিয়ে দিতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তার ছবি ও নামসহ পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। সেই পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে "প্রতারককে ধরিয়ে দিন"। হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে মেরে দেওয়া শত মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামিকে ধরিয়ে দিন। ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে।
পোস্টারে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টারে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে ইভ্যালির সিইও মোহাম্মাদ রাসেলের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিয়েও তার বক্তব্য মেলেনি।
অর্থ ও চেক প্রতারণার দায়ে ই-ভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একাধিক মামলায় তিনি দণ্ডিতও হয়েছেন।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরুর পর গাড়ি, মোটরসাইকেল, আসবাবপত্র, স্মার্ট টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিনের মত পণ্য অর্ধেক দামে বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে সাড়া ফেলে অনলাইন মার্কেট প্লেস ইভ্যালি।
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটির চটকদার অফারের ‘প্রলোভনে’ অনেকেই বিপুল অঙ্কের টাকা অগ্রিম দিয়ে পণ্যের অর্ডার করেছিলেন পরে বেশি দামে বিক্রি করে ভালো লাভ করার আশায়। কিন্তু মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও তাদের অনেকে পণ্য বুঝে পাননি; ইভ্যালি অগ্রিম হিসেবে নেওয়া টাকাও ফেরত দেয়নি।
এক পর্যায়ে ক্রেতা ও পণ্য সরবরাহকারীদের কাছে ৫৪৩ কোটি টাকার দায়ে পড়ে ইভ্যালি। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে ইভ্যালিসহ আরও বেশ কিছু ইকমার্স কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিক্ষোভে নামে গ্রাহকরা।
সেই থেকে রাসেল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলা হয়।
মামলার বোঝা নিয়ে জেল খেটেছেন রাসেল ও ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিল শামীমা এবং ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাসেল জামিনে কারামুক্ত হন। তারা আবার ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করেন। সবশেষ গেটওয়েতে থাকা ই-ভ্যালি পাওনাদারদের ১৩ কোটি টাকা ফেরত দেয়ার কথা জানিয়েছে নগদ।







