এক শিক্ষার্থীকে 'হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির'  প্রতিবাদে 

মধ্যরাতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

মধ্যরাতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
২৬ আগষ্ট, ২০২৫ ০১:৩৯  
২৬ আগষ্ট, ২০২৫ ০৪:৫৫  

২৪ আগস্ট থেকে তিন দফা দাবিতে পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করে আসছিলো বুয়েট শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে ২৫ আগস্ট, সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে  শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার ভোর রাত দুইটা পর্যন্ত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের 'হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির' প্রতিবাদে চলেছে এই বিক্ষোভ মিছিল।  রাত পৌনে ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সেখানে ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘রক্তের বন্নায় ভেসে যাবে অন্যায়’, মোধা না কোটা, মেধা, মেধা‘ সহ নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শাহবাগ মেট্রো রেল এলাকা। 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান রোকনকে নেসকো কার্যালয়ে ডিপ্লোমা কর্মকর্তাদের গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে পৌঁছে রাত একটার দিকে। মিছিলটি শাহবাগ মোড় হয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে এগোতে থাকলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে সাকুরা মোড়ে অবস্থান নেন তারা।

এরপর বারডেম সংলগ্ন মেট্রোরেলের নিচে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সেখান থেকে বুয়েট শিক্ষার্থীর হ'ত্যার হুমকির প্রতিবাদে অভিযুক্তদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাদের ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকৌশল খাত সংস্কার কমিশন গঠন করারও দাবি জানিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, প্রকৌশল খাত সংস্কারে বেরোবির শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি প্রদানের পর ২৫ আগস্ট নেসকো অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম হোসেন তার কক্ষে রোকনুজ্জামান রোকনকে ডেকে নেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকৌশলী মাজেদুল, সহকারী প্রকৌশলী সারোয়ার জামান সাইদি, উপসহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত, সাদ্দাম, গোলাম কিবরিয়া সোহান। তারা মিলে রোকনুজ্জামানকে গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয় । এই ঘটনায় বুয়েট শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ট্রিপলই ১৭ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী রোকনকে জিম্মি করে জবাই করার হুমকি দেয়া হয়েছে। প্রকৌশলীদের স্বাধীনতায় আঘাত হানা শুধুই ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং এটি প্রকৌশলীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপরও হামলা।