ক্রিপ্টো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চুরি
ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম বাইবিট একটি ভয়াবহ সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, যেখানে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের ইথেরিয়াম এবং স্টেকড ইথেরিয়াম চুরি হয়েছে। এটিকে ক্রিপ্টো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চুরির ঘটনা বলা হচ্ছে, এমনকি কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এটি যেকোনো ধরনের সর্বকালের বৃহত্তম হ্যাকিং ঘটনাও হতে পারে। খবর এনগ্যাজেট।
বাইবিটের সিইও বেন ঝোউ জানিয়েছেন, হ্যাকার প্রতিষ্ঠানটির একটি অফলাইন (কোল্ড) ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং স্মার্ট কন্ট্রাক্টের লজিক পরিবর্তন করে সব ইথেরিয়াম অজ্ঞাত ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়।
ব্লকচেইন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হালবর্নের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রব বেহনকে ব্লুমবার্গকে বলেন, এটি শুধু ক্রিপ্টো নয়, সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার চুরি।
বাইবিটের এই হ্যাকিং ২০২২ সালে রনিন নেটওয়ার্কের ৬২০ মিলিয়ন ডলার ও ২০২১ সালে পলি নেটওয়ার্কের ৬১০ মিলিয়ন ডলার চুরিকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে ২০১১ সালের কুখ্যাত এমটি গোক্স হ্যাকিং-এ চুরি হওয়া ৮৫০,০০০ বিটকয়েন বর্তমান দামে ৮১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের হবে।
হ্যাকের আগ পর্যন্ত বাইবিটের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৬.২ বিলিয়ন ডলার এবং তাদের দৈনিক লেনদেন গড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার। চুরির ফলে প্ল্যাটফর্মটির মোট সম্পদের প্রায় ৯% ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার পর ইথেরিয়ামের মূল্য প্রায় ৬.৭% কমে যায়, বিটকয়েনও ৩% মূল্য হারায়।
ঝোউ এক পোস্টে দাবি করেছেন, বাইবিট ইতোমধ্যে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৮০% তহবিল সংগ্রহ করেছে, এবং উপলব্ধ তহবিল দিয়ে গ্রাহকদের টাকা নিরাপদ রয়েছে। তবে প্ল্যাটফর্মটি ব্লকচেইন বিশ্লেষক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সহায়তা চেয়েছে চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারের জন্য।
ডিবিটেক/বিএমটি







