চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিলায়ন ৬-এর এফডব্লিউডি ভার্সনটি দেশের বাজারে এনেছিল বিওয়াইডি বাংলাদেশ। এটি ২০০ ইউনিটেরও বেশি বিক্রি হয়ে দেশে পিএইচইভি সেগমেন্টে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে উঠে এসেছে বলে জানিয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশ। বাংলাদেশে এমন ব্যবসায়িক সফলতার পথ ধরে অস্ট্রেলিয়ার পর জাপানেও উন্মোচন করা হলো নতুন যুগের এই সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকলটি (পিএইচইভি)।
নির্মাতাদের দাবি, এবার জাপানের নিজস্ব গাড়ির ব্র্যান্ডগুলোকে (জেডিএম) প্রতিযোগিতার মুখে ফেলবে তারা।
জাপানে সিলায়ন ৬ মডেলে বিওয়াইডি’র এই ইলেকট্রিক ভেহিকল (পিএইচইভি) এসইউভিটি দুইটি গ্রেডের কনফিগারেশনে পাওয়া যাচ্ছে। একটি ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ (এফডব্লিউডি), যা দীর্ঘ ড্রাইভিং রেঞ্জের ওপর জোর দেয়; অন্যটি অল-হুইল ড্রাইভ (এডব্লিউডি), যা মাত্র ৫.৮ সেকেন্ডে শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার/ঘন্টা অ্যাক্সিলারেশনের মাধ্যমে স্পোর্টি এসইউভি পারফরম্যান্স প্রদান করে। সিলায়ন ৬ মডেলের গাড়িটিতে ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিকশিত সুপার হাইব্রিড ডিএম-আই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে ১.৫ লিটার হাই-এফিশিয়েন্সি ইঞ্জিন, ডিএম-আই ডেডিকেটেড ব্লেড ব্যাটারি ও উচ্চ-সক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রিক হাইব্রিড সিস্টেম (ইএইচএস)।
এই প্রযুক্তি ড্রাইভিংয়ের বেশিরভাগ সময় মোটরকে সক্রিয় রাখে, ফলে সুস্থির রাইডের পাশাপাশি, জ্বালানি সাশ্রয় হয়। গাড়ির ভেতরে বিলাসবহুল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রয়েছে ১৫.৬ ইঞ্চি হাই-রেজ্যুলুশন ডিসপ্লে সহ সর্বাধুনিক ইনটেইনমেন্ট সিস্টেম;। যেখানে অ্যাপল কারপ্লে, অ্যান্ড্রয়েড অটো, ডুয়েল ওয়্যারলেস চার্জিং ও উন্নত ভয়েস কন্ট্রোল সুবিধা রয়েছে। পিএইচইভি হিসেবে এর চার্জিং সক্ষমতাও বেশ শক্তিশালী। এটি সর্বোচ্চ ৬ কিলোওয়াট এসি ও ১৮ কিলোওয়াট ডিসি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। এতে জরুরি পরিস্থিতি বা আউটডোর অ্যাকটিভিটিজের সময় বাইরে বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম ভেহিকল-টু-লোড (ভিটুএল) ও ভেহিকল-টু-হোম (ভিটুএইচ) ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে।
এফডব্লিউডি মডেলটি একবার সম্পূর্ণ চার্জে ইভি মোডে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। আর দীর্ঘ ভ্রমণে ইঞ্জিন পাওয়ার জেনারেশন ও মোটর ড্রাইভের সঠিক সমন্বয় রেঞ্জ সম্পর্কিত দুশ্চিন্তা কমিয়ে এনে সত্যিকারের আধুনিক ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেইন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
ডিবিটেক/এএ/ইকে