জিডিইউ শিক্ষার্থীদের জন্য এআই প্রশিক্ষণের যাত্রা শুরু

জিডিইউ শিক্ষার্থীদের জন্য এআই প্রশিক্ষণের যাত্রা শুরু
২৩ আগষ্ট, ২০২৫ ২০:৫৮  
২৩ আগষ্ট, ২০২৫ ২৩:৫৮  

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এবং বিডিসেট প্রকল্পের আওতায় গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির (জিডিইউ) শিক্ষার্থীদের জন্য তিন মাসব্যাপী এআই ফর ইমারসিভ টেকনোলজি শীর্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর সেন্টারের সহায়তায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ২৩ আগস্ট শনিবার  সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণের প্রথম ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে পরবর্তীতে ধাপে ধাপে মোট ৪০০ শিক্ষার্থীকে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পুরো কোর্সের মেয়াদ তিন মাস, মোট ২৮৮ ঘণ্টা।

প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখবেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), মেশিন লার্নিং (ML), ডিপ লার্নিং (DL), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রয়োগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.মো.আনোয়ার হোসেন এবং রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর এবং আইইইই বাংলাদেশ সেকশনের পরিচালক অধ্যাপক ড.মো.মশিউল হক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এনআইসিসি সেলের পরিচালক মো: তৌকির আহম্মেদ। বক্তব্য দেন ডিলিজিট লিমিটেডের সিইও মো.মোশাররফ হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফখরুল হাসান ফয়সাল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ইমারসিভ টেকনোলজি এখন বিশ্ববাজারের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। আমাদের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের জন্য এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি,এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, যত কষ্টই হোক, এ ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য সময় বের করে নেবে। এসব উদ্যোগই তোমাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. মশিউল হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনের যুগে হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং বাস্তব জীবনে প্রযুক্তির প্রয়োগ শিখতে সাহায্য করবে। তোমরা যারা আজ এই যাত্রা শুরু করলে, তারা ভবিষ্যতের প্রযুক্তি উদ্ভাবক এবং নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসেবে গড়ে উঠবে। মনে রেখো, শেখার আগ্রহ এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক,শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।