একদিনেই চুয়েট ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা, সেমিনার ও বিদায় অনুষ্ঠান
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সৃজনশীল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক সংগঠন চুয়েট ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা, দায়িত্ব হস্তান্তর ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
গত ৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) চুয়েট ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েট ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া । চুয়েট ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চুয়েট ক্লাবের নতুন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. এইচ. রাশেদুল হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বি ও ক্লাবের বিগত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন ক্লাবের অর্থ সম্পাদক নাঈমুর রহমান।
এর আগে চুয়েট ক্লাবের উদ্যোগে ফল উৎসব উদযাপিত হয় এবং বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজীয়দের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এতে ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বি, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. সাদিকুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: আমিনুল ইসলাম এবং আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের একাউন্টস অফিসার জনাব মোঃ আব্দুল আহাদ এবং ক্লাব রানার আপ মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম।
একই দিনে দুপুরে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে "অপারেশনাল চ্যালেঞ্জেস এন্ড ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অব ঢাকা মেট্রো রেলঃ লেসন ফর ইমার্জিং আরবান ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর ও চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম এবং পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আসিফুল হক। এতে রিসোর্স পার্সন ছিলেন ঢাকা মেট্রোরেল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার। এতে সঞ্চালনা করেন পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোছাঃ মুক্তা বানু।
এর আগে পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ১৯ ব্যাচের বিদায়ী অনুষ্ঠান এবং আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের মিলনায়তনে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ আয়োজিত "রিসার্চ চ্যালেঞ্জেস বেয়ন্ড ৫জি এন্ড ৬জি সিস্টেমসঃ এডভান্সিং টুওয়ার্ডস মিনিংফুল সোসাইটাল ইম্প্যাক্ট" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এতে রিসোর্স পার্সন ছিলেন সুইডেন এর চালমার ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি এর সহযোগী অধ্যাপক ড. আশরাফ-উজ-জামান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ। এতে সঞ্চালনা করেন ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জয়প্রকাশ চক্রবর্তী।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, প্রযুক্তির অগ্রগতিতে আমাদের ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে অনেক দিক-নির্দেশনা মিলবে। ৬জি (ষষ্ঠ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি) ৫জি (পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি) এর চেয়ে দ্রুতগতির এবং আরও উন্নত পারফরম্যান্স প্রদান করবে বলে আশা করছি। উভয় প্রযুক্তির মূল পার্থক্য হলো ফ্রিকোয়েন্সি এবং ডেটা ট্রান্সফারের গতি। ৬জি তুলনামূলকভাবে ৫জি এর চেয়ে বেশি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অনেক বেশি গতি এবং কম ল্যাটেন্সি (ডেটা আদান প্রদানে কম সময়) প্রদান করবে।
০৬-জুলাই/ডিজিবিটেক/এআইএম



