ডবল এনআইডি আছে ৫০০ প্লাস

ডবল এনআইডি আছে ৫০০ প্লাস
৫ মে, ২০২৫ ১৫:০৩  

জাতীয় পরিচয় পত্রের সার্ভারে ১৩ কোটির বেশি তথ্য রয়েছে। আছে ৫ শতাধিক ডবল এনআইডি। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দফতরের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নাগারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের ডাটাবেজ থাকে নির্বাচন কমিশনের হাতেই। তবে রোহিঙ্গাদের সার্ভার কোন মন্ত্রণালয়ে যাবে, সেটার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

সোমবার (৫ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য দিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

তিনি বলেছেন, গত সপ্তাহে সিদ্ধান্ত ছিল রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ডাটাবেজটা ইসিকে এপিআইর মাধ্যমে দেওয়া। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তর মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই তথ্য আমাদের কাছে থাকবে। যেখান থেকেই হোক তথ্যটা যেন পাই। মূলত রোহিঙ্গা আর বিদেশিদের আমরা আমাদের ডাটাবেজে প্রবেশ করতে দেব না। রোহিঙ্গাদের সার্ভার কোন মন্ত্রণালয়ে যাবে, সেটার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাইনি। আগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে এ সপ্তাহের মধ্যে আমরা পেয়ে যেতাম। এখন সরকারের যদি বিকল্প সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে যেখানে থাকুক আমরা যদি রোহিঙ্গাদের আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করতে পারি, তাহলেই হবে।

এনআইডি সংশোধনের বিষয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পর্যায়ে এনআইডি সংশোধনের যে ক্ষমতা ছিল, সেটা জেলা অফিসারকেও দিয়েছি। মানুষের সেবা নিশ্চিত করা জন্য যৌক্তিক আবেদনগুলো কমিশন দ্রুত অনুমোদন দিচ্ছে। কমিশন ও সচিবালয়– আমরা সবাই মিলে মানুষকে দ্রুত সেবা দিতে চাই। আমাদের এনআইডি অনুবিভাগে প্রচুর আবেদন ঝুলে আছে। এগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারি, সেজন্য দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছি। ইসি সচিবালয়ের অফিসারদের মধ্যেও একটু ক্ষমতা পরিবর্তন করছি, যাতে এনআইডি সেবা সহজ হয়। আমাদের আঞ্চলিক পর্যায়ে ক্যাটাগরি করার ক্ষমতা দেওয়া আছে। আমরা মনিটরিং করছি। অনেকেই হয়ত ক্যাটাগরি ঠিক মতো করছে আবার কেউ করছে না। 

এনআইডি সংশোধন আবেদন নিয়ে আগামী সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি মিলবে জানিয়েছে তিনি বলেন, ডবল এনআইডি আছে ৫০০ প্লাস ১৩ কোটির বেশি তথ্য একটা একটা করে খোঁজা সম্ভব নয়। কেউ যদি তথ্য দেয় আর আমরা যদি দেখতে পাই, তাহলে ব্যবস্থা নিই।