এশিয়া-প্যাসিফিকে আড়াই লাখ র‍্যানসমওয়্যার ব্যর্থ

  • এশিয়া-প্যাসিফিকে ক্যাসপারস্কি ৭.৫ কোটি ওয়েব হামলা ও আড়াই লাখ র‍্যানসমওয়্যার ঠেকিয়েছে
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে হামলাকারীরা দ্রুত ও মানানসই ম্যালওয়্যার তৈরি করছে
  • ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ও সাপ্লাই চেইনে সাইবার আক্রমণের হার ৩৭ শতাংশ বেড়েছে

এশিয়া-প্যাসিফিকে আড়াই লাখ র‍্যানসমওয়্যার ব্যর্থ
১২ আগষ্ট, ২০২৬ ১৭:২০  

সাইবার সিকিউরিটি থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ও ম্যালওয়্যার প্রটেকশন অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসে এশিয়া-প্যাসিফিক (এপিএসি) অঞ্চলে ৭ কোটি ৫০ লাখ অনলাইন হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম ক্যাসপারস্কি।

১২ আগস্ট, বুধবার ক্যাসপারস্কি সিকিউরিটি নেটওয়ার্ক (কেএসএন)-এর সংগৃহীত টেলিমেট্রি ডাটা বিশ্লেষণ করে তাদের গ্লোবাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম (জিআরইএটি) এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে ৩৪ লাখ ব্যাকডোর এক্সপ্লয়েট, ২৪ লাখ পাসওয়ার্ড চুরির চেষ্টা এবং ২ লাখ ৫০ হাজার সংবেদনশীল র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের বিবরণ দেওয়া হয়।

ক্যাসপারস্কি জিআরইএটি-এর এপিএসি ও এমইটিএ গবেষণা ইউনিটের প্রধান সের্গেই লোজকিন জানান, “২০২৬ সালের প্রথমার্ধে কিছু ধরণের আক্রমণ সামান্য কমলেও থ্রেট ল্যান্ডস্কেপ আরও বিপজ্জনক হচ্ছে। আক্রমণকারীরা এখন রিকনেসান্স, পলিমরফিক ম্যালওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং স্বয়ংক্রিয় অ্যাটাক ভেক্টর তৈরি করতে জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করছে।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে উচ্চমাত্রার সিকিউরিটি ইনসিডেন্টের ২৪ শতাংশের পেছনে ছিল অ্যাডভান্সড পারসিস্টেন্ট থ্রেট (এপিটি)। জিআরইএটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৯০০টির বেশি এপিটি গ্রুপ পর্যবেক্ষণ করছে, যার মধ্যে চীন, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম সবচেয়ে বেশি সাইবার টার্গেটের তালিকায় রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয় যে, বিশ্বজুড়ে সফটওয়্যার সাপ্লাই চেইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইকোসিস্টেমে সাইবার হামলার হার তীব্র হয়েছে। ওপেন-সোর্স থ্রেট ম্যাপিং অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১৯,৪৮৪টি ক্ষতিকর কোড প্যাকেজ শনাক্ত করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৩৭ শতাংশ বেশি। ইস্ক্যান, নোটপ্যাড++, ডেইমন টুলস ও অ্যাক্সিওস-এর মতো বিশ্বস্ত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা চিহ্নিত করেছে তারা। এই উদীয়মান থ্রেট ভেক্টর মোকাবিলায় ক্যাসপারস্কি সংস্থাসমূহকে এন্ডপয়েন্ট সিকিউরিটি, ইডিআর, এক্সডিআর এবং ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর) ফ্রেমওয়ার্ক গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে।
//ডিবিটেক/আরআই/এমআইএস//