রক্তদানে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ

রক্ত দিলেন ১৩২ জন, রবির আয়োজনে নতুন রেকর্ড

  • রবির আয়োজনে এবার ১৩২ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন
  • রবি, শান্তা হোল্ডিংসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা অংশ নেন
  • অংশগ্রহণকারীদের ছয় ধরনের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়

রক্ত দিলেন ১৩২ জন, রবির আয়োজনে নতুন রেকর্ড
৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭  

থ্যালাসেমিয়াসহ নিয়মিত রক্ত পরিসঞ্চালনের প্রয়োজন হয় এমন রোগীদের সহায়তায় রক্তদানের কর্মসূচি আয়োজন করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। রাজধানীর শান্তা ফোরাম টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত ‘রবি ব্লাড ডোনেশন ড্রাইভ ২০২৬’-এ এবার ১৩২ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন, যা রবির এ ধরনের কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ।

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে সম্প্রতি এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এতে রবি, শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড, আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিল (আরএসসি) এবং শান্তা ফোরাম কমিউনিটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা অংশ নেন।

কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল নিয়মিত রক্ত পরিসঞ্চালনের ওপর নির্ভরশীল থ্যালাসেমিয়া রোগীসহ অন্যান্য রোগীদের সহায়তা করা। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিনামূল্যে ছয় ধরনের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

প্রতিবছর ২ নভেম্বর দেশে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করে রবি। নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয় এমন রোগীদের সহায়তার পাশাপাশি আরও বেশি মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করাও এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবি আজিয়াটা পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা, চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, চিফ পিপল অফিসার মুহাম্মদ শোয়েব বেগ এবং পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের পরিচালক শরীফ শাহ জামাল রাজ। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা মাসুমা রহমানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্বেচ্ছায় রক্তদানের পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করছে রবি। চলতি বছরের বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি দেশের থ্যালাসেমিয়া-প্রবণ এলাকাগুলোতে এক কোটি সচেতনতামূলক বার্তা পাঠিয়েছে। এসব বার্তায় রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ববোধের চর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
//ডিবিটেক/আরজেডআই/এসএমই/এমএসআই//