সদস্য যাচাইয়ে জোর নতুন উদ্যোগ

বেসিসে নতুন সহায়ক কমিটি

  • নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও বিদ্যমান তথ্য যাচাই করবে কমিটি
  • নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তফসিল ঘোষণার দিন পদত্যাগ বাধ্যতামূলক
  • ২২ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনায় স্বচ্ছ ও হালনাগাদ সদস্যভিত্তি তৈরির লক্ষ্য

বেসিসে নতুন সহায়ক কমিটি
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১৩  

সদস্যতথ্য ব্যবস্থাপনা ও নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে আরও কাঠামোবদ্ধ করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এ নতুন সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং হালনাগাদ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে। বাণিজ্য সংগঠন-২-এর নির্দেশনার আলোকে অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটিটি মনোনীত হয়েছে। এ ধরনের সদস্যতথ্য যাচাই ও হালনাগাদ নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ভোটারভিত্তি নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপ।

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় একটি স্বচ্ছ ও হালনাগাদ সদস্যভিত্তি তৈরি করাকে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেসিস প্রশাসক খন্দকার নাজমীনকে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করতে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, মোঃ আহসান হাবিব, ফেরদৌস আলম, মোঃ ফুয়াদ হাসান, মোঃ রাশেদ উল হক সরকার এবং মোহাম্মদ তাফীদ হাসান চৌধুরী।

কমিটির মূল দায়িত্ব হবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে হালনাগাদ করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কমিটির কার্যপরিধি শুধুমাত্র সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও তথ্য হালনাগাদকরণ কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে নির্বাচন তফসিল ঘোষণার দিনই তাকে কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

বেসিসের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন নিয়ে এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘোষিত তফসিল বাতিল করে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং সদস্য তালিকা যাচাই ও হালনাগাদের জন্য সাত সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। ৩ সেপ্টেম্বরের ওই নির্দেশনার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সদস্যতালিকা পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি সামনে আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আপনার দেওয়া তথ্যে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে বেসিসে দখল, লুটপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল—এমন অভিযোগ থাকা কয়েকটি কোম্পানি ৫ আগস্টের পর সাধারণ সদস্যদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছে। একই সূত্রের দাবি, ওই সময়ে জোর করে বন্ধ করে দেওয়া কোম্পানিগুলোকেও ভোটার হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক জটিলতা দেখিয়ে আওয়ামী লীগের নিবন্ধিত, কিন্তু অস্তিত্বহীন কোম্পানিগুলোকে ভোটার তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছিল। এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হলো; স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে নয়।

এর আগে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের বেসিস নির্বাচনের তফসিলও বাতিল করেছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ৩০ জুন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও সদস্য তালিকা যাচাই, হালনাগাদ ও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে সেটি বাতিল করা হয়।
//বিকেআর//এএইএম/এসএমআইকে//