বিজ্ঞান কার্নিভালে শিক্ষামন্ত্রী
প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে বাংলাদেশকে
- উন্নত দেশের মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে সক্ষম হতে হবে
- ২০২৮ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক চালু হবে
- ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের পরিকল্পনা রয়েছে
উন্নত দেশগুলোর মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে সক্ষম হতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ কথা বলেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার মতে, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব সমস্যার সমাধানে দক্ষ করে তুলতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় জরুরি।
৩১ অক্টোবর, শনিবার রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ প্রাঙ্গণে ‘বিএনএমপিসি ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন। সরকার ২০২৮ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলামের আলোকে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রবর্তন করবে। এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’, ‘খেলাধুলা’ এবং ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ শীর্ষক চারটি নতুন বই দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার আধুনিকায়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। সঠিকভাবে পাঠদান পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্পের প্রশংসা করে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নদীগুলোকে জীবন্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা দেখে তিনি খুশি হয়েছেন। উন্নত বিশ্বের মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বা ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া’ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
এ সময় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তাদের সামনে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই জীবন থেকে ছিটকে পড়া নয়। বরং ভবিষ্যতে আরও উদ্যম নিয়ে ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করতে হবে।
অনুষ্ঠানের আগে শিক্ষামন্ত্রী মেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২টি স্টলে প্রদর্শিত প্রকল্প ও উদ্ভাবন ঘুরে দেখেন। পরে তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, কলেজের প্রিন্সিপাল লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলামসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/ইএমএ/এসএমপি/এমআইএসটি//





