একজন আটক, থানায় অভিযোগ ৮০ জনের
ইত্যাদির শুটিংয়ে দুই শতাধিক মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ
- জয়পুরহাটের কালাইয়ে ইত্যাদির দৃশ্যধারণ ঘিরে মোবাইল চুরির অভিযোগ
- প্রায় ১০ হাজার দর্শকের সমাগমে নিরাপত্তায় দায়িত্বে ছিলেন আড়াই শতাধিক পুলিশ
- চুরির অভিযোগে গোলাম রতন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ
বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যধারণ দেখতে গিয়ে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় বিপুলসংখ্যক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ উঠেছে। আয়োজনে প্রায় ১০ হাজার মানুষের সমাগমের মধ্যে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে দেড়শ থেকে দুই শতাধিক মোবাইল ফোন চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোলাম রতন (৪৬) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
৭ নভেম্বর, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কালাই উপজেলার ঐতিহাসিক নান্দাইল দীঘি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ চলে। হানিফ সংকেতের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ দেখতে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শকেরা সেখানে জড়ো হন।
অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের উদ্যোগে প্রায় আড়াই শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, ৫০ জন স্কাউট সদস্য এবং শতাধিক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক।
তবে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও দর্শকদের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে পেশাদার চোর ও পকেটমার চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালে দর্শকদের পকেট ও ব্যাগ থেকে একের পর এক মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠান শেষে অনেক দর্শক নিজেদের ফোন খুঁজে না পেয়ে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে তাঁদের অনেকে কালাই থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন।
কালাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইমায়েদুল জাহেদী জানান, অনুষ্ঠান শেষে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন ভুক্তভোগী থানায় এসে মোবাইল ফোন চুরির মৌখিক অভিযোগ করেছেন। পুলিশের ধারণা, সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া ফোনের সংখ্যা দেড়শ থেকে দুই শতাধিক হতে পারে।
তিনি আরও জানান, অনুষ্ঠানস্থল থেকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে গোলাম রতন নামে একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তিনি জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
//ডিবিটেক/এজেপিএন/এসএমই/এমএসআই//





