জমে উঠেছে বারভিডা কার এক্সপো

বসুন্ধরায় কার এক্সপোতে জাপানি গাড়ির চাহিদা

  • আইসিসিবির কার এক্সপোতে নতুন ও পুরনো গাড়ির মেলা
  • ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি দরদামের সুযোগ রয়েছে মেলায়
  • বিনা মূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারছেন দর্শনার্থীরা

বসুন্ধরায় কার এক্সপোতে জাপানি গাড়ির চাহিদা
৬ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:০৩  

রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত বারভিডা কার এক্সপোতে জাপানের বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও মডেলের রিকন্ডিশন্ড গাড়ির প্রতি দর্শনার্থীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উদ্বোধনের পর থেকে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনে ৬ নভেম্বর, শুক্রবার দর্শনার্থীদের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা যায়। ৭ নভেম্বর, শনিবার এই প্রদর্শনীর শেষ দিন।

প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরা সরাসরি বিভিন্ন গাড়ি দেখার পাশাপাশি মডেল ভেদে বৈশিষ্ট্য, প্রযুক্তি, সুযোগ-সুবিধা ও দাম তুলনা করতে পারছেন। একই ছাদের নিচে নতুন, পুরোনো ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ির পাশাপাশি মোটরসাইকেল দেখার এবং ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে এটি আলাদা গুরুত্ব অর্জন করেছে বলে দাবি আয়োজকদের। তারা বলছেন, কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা ব্রোকারেজ ছাড়াই সরাসরি যোগাযোগের এই সুযোগ ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্যই বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে।

প্রদর্শনীতে টয়োটা প্রিয়াস, করোলা ক্রস, হ্যারিয়ার, নোয়া, ভক্সি, আলফার্ডসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় মডেল প্রদর্শিত হচ্ছে। গুলশান থেকে আগত দর্শনার্থী জাবের ইলিয়াস জানান, এক ছাদের নিচে গাড়ি দেখার সুযোগ ভালো হলেও ইউটিউবের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা কিছুটা কম মনে হয়েছে এবং চীনা ব্র্যান্ডের নতুন গাড়ির দাম একটু বেশি ঠেকেছে।

মহাখালীর একটি শোরুমের প্রতিনিধি মো. সুজন জানান, পরিবেশ ভালো হলেও নতুন হওয়ায় পরিচিতি বাড়াতে সময় লাগবে, তবে গত দুই সপ্তাহে তাদের দুটি গাড়ি বিক্রি হয়েছে।

জিএসসি মোটরের এক্সিকিউটিভ মোহাম্মদ ইরফান বিল্লাহ জানান, তাদের তেলচালিত ও ফুল ইলেকট্রিকসহ সব ধরনের গাড়ি রয়েছে এবং একই ছাদের নিচে সব অপশন পাওয়ায় ক্রেতারা সহজেই তুলনা করতে পারছেন।

আইসিসিবির ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান মোল্লা জানান, সুপার সেল কার বাজারের নবম এপিসোড এবং তৃতীয় মাসের এই প্রথম আয়োজনে প্রথম দিন থেকেই দারুণ সাড়া পাওয়া গেছে এবং মোটরসাইকেলের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কমার্শিয়াল ভেহিকলও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সকাল থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি ও গাড়ি হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আয়োজকরা তাদের প্রত্যাশা পূরণের কথা জানিয়েছেন।

এদিকে  ৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অধিবেশনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বারভিডার সভাপতি আবদুল হক নীতি প্রণয়নকালে জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

তিনি জানান, ৬৬০ সিসির জাপানি কে কার নামে পরিচিত ছোট আকৃতির কার আমদানিতে সুবিধা দেওয়া হলে শহরের জঞ্জাল নামে পরিচিত ব্যাটারিচালিত রিকশার ভয়াবহতা থেকে নগরকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব। ওই দিনি উদ্বোধনীতে বক্তব্য দেন সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী খসরু, মো. হাবিব উল্লাহ ডন এবং সাবেক মহাসচিব মাহাবুল হক চৌধুরী। সভাটি সঞ্চালনা করেন বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান।

 //ডিবিটেক/এসএমসি/ডিএসই/এফওই//