পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদানে ইউসিবিডি ও ল্যাঙ্কাশায়ারের ফ্যাশন প্রতিযোগিতা

  • ‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন মালিহা নাওয়ার
  • দ্বিতীয় নুসাইবা সাদমিম হক এবং তৃতীয় সামিনা আক্তার
  • সেরা তিন বিজয়ী যৌথভাবে পেলেন ৬০ হাজার টাকা

পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদানে ইউসিবিডি ও ল্যাঙ্কাশায়ারের ফ্যাশন প্রতিযোগিতা
২ আগষ্ট, ২০২৬ ০০:২৪  

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ শীর্ষক ফ্যাশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। এতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান দিয়ে দেশীয় ভাবধারার পোশাক প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মালিহা নাওয়ার। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছেন নুসাইবা সাদমিম হক এবং তৃতীয় হয়েছেন সামিনা আক্তার।

ইউসিবিডির ফ্যাশন প্রমোশন অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের উদ্যোগে ১ আগস্ট, শনিবার প্রতিষ্ঠানটির গুলশান ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি এবং ১৫ থেকে ২৩ বছর বয়সী জিইডি শিক্ষার্থীরা এতে একক বা দলগতভাবে অংশ নেন। সেরা ১৫ জন প্রতিযোগীর লাইভ ফ্যাশন শো শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী তিনজনকে যৌথভাবে মোট ৬০ হাজার টাকার পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া সেরা ১৫ জন প্রতিযোগীকে বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ল্যাঙ্কাশায়ারের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড মিডিয়ার অ্যাসোসিয়েট ডিন পরেশ পারমার, ইন্টারন্যাশনাল পার্টনারশিপস প্রজেক্ট ম্যানেজার রিচার্ড অ্যান্টনি ব্রেম, এক্সপেরিয়েন্স গ্রুপের ব্র্যান্ড ‘আমিরা’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়নব মাকসুদ, ইউসিবিডির প্রভোস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন এবং হেলথ কোচ ও ফ্যাশন ডিজাইনার জারিন রশিদ।

উদ্যোগটি সম্পর্কে ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, “সৃজনশীলতা কীভাবে টেকসই উপাদান, ঐতিহ্য এবং ব্র্যান্ড ভাবনার সমন্বয় ঘটাতে পারে, তার একটি অনন্য উদাহরণ ‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’। আমরা চাই তরুণ নির্মাতারা ফ্যাশনকে কেবল আত্মপ্রকাশের মাধ্যম হিসেবে না দেখে উদ্ভাবন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের ক্ষেত্র হিসেবেও বিবেচনা করুক।”

ইউনিভার্সিটি অব ল্যাঙ্কাশায়ারের অ্যাসোসিয়েট ডিন পরেশ পারমার বলেন, “প্রতিযোগীরা যেভাবে পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহার করে ডিজাইন, নিজস্ব সত্তা এবং গল্প ফুটিয়ে তুলেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

প্রথম স্থান অর্জনকারী মালিহা নাওয়ার বলেন, “‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ আমাদের ফ্যাশনকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। দৈনন্দিন ব্যবহারের ফেলে দেওয়া বস্তুগুলোকে অর্থপূর্ণ ও পরিধানযোগ্য পোশাকে রূপান্তর করা একই সঙ্গে ছিল চ্যালেঞ্জিং ও আনন্দদায়ক।”
//ডিবিটেক/ এমআর/ এমএসআই//