১৬ বছরের প্রযুক্তি অভিযাত্রায় মফিজা খাতুন হলেন ১৪ কোটিতম গ্রাহক; উদযাপনে তৌসিফ মাহবুব

১৪ কোটি গ্রাহকের অনন্য মাইলফলকে সিম্ফনি মোবাইল

  • ফরিদপুরের রুবেল হোসেন, নারায়ণগঞ্জের নাদিয়া আক্তার এবং ময়মনসিংহের মফিজা খাতুন হলেন মাইলফলক গ্রাহক
  • ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে সাশ্রয়ী কোয়ার্টি, টাচস্ক্রিন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে দেশের মোবাইল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছে ব্র্যান্ডটি

১৪ কোটি গ্রাহকের অনন্য মাইলফলকে সিম্ফনি মোবাইল
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:১৭  

ঢাকা: দেশের সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে আধুনিক মোবাইল প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার ১৬ বছরের অভিযাত্রায় এক অনন্য ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে দেশীয় ব্র্যান্ড সিম্ফনি মোবাইল। প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ কোটি হ্যান্ডসেট গ্রাহকের পরিবারে পদার্পণ করেছে। ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হলিডে ইন ঢাকায় এই মাইলফলক উদযাপনে অংশ নেন জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শের ক্ষণে যুক্ত হওয়া তিনজন গ্রাহকও। 

অনুষ্ঠানে এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিম্ফনি মোবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, "এই অর্জন শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি দেশের কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও দ্রুতগতির সংযোগের এই নতুন যুগেও আমরা গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক ও অর্থবহ প্রযুক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

কেক কেটে এই অর্জন উদযাপনের পর প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ১৪ কোটি গ্রাহকের এই আস্থা আগামী দিনে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, ফরিদপুরের রুবেল হোসেন ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮তম এবং নারায়ণগঞ্জের নাদিয়া আক্তার ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯তম গ্রাহক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। আর ময়মনসিংহের মফিজা খাতুন আনুষ্ঠানিকভাবে সিম্ফনির ১৪ কোটিতম গ্রাহক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

২০০৮ সালে ‘নিউ এক্সপেরিয়েন্স’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করে সিম্ফনি এবং ২০০৯ সালে গড়ে ওঠে মূল প্রতিষ্ঠান এডিসন গ্রুপ। ওই সময় দেশে বহুজাতিক ব্র্যান্ডের ফোন সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে (৭ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা) থাকলেও, সিম্ফনি মাত্র দেড় থেকে দুই হাজার টাকায় হ্যান্ডসেট সরবরাহ করে মোবাইল ব্যবহারের ধারণা বদলে দেয়। পরবর্তীতে দেশে প্রথম সাশ্রয়ী কোয়ার্টি কিপ্যাড, টাচস্ক্রিন, পিডিএ এবং ২০১২ সালে প্রথম স্বল্পমূল্যের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এনে প্রযুক্তি বিপ্লবের নেতৃত্ব দেয় এই দেশীয় ব্র্যান্ড।

//ডিবিটেক/ এমওয়াইআর/এসএমপি/এফওটি//