ইভেন্ট ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহারের তাগিদ
এআই, জিপিটি’র চ্যালেঞ্জের মধ্যে অর্ধশত তরুণ-তরুণী শিখলো আধুনিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। দেশে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ দিলো ফিউচার স্কিলস ইনস্টিটিউট। প্রশিক্ষণ শেষে দেয়া হয়েছে সত্যায়ন সনদ।
রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ১৯ জুলাই, শনিবার অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জানানো হলো- এআইয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার অনেক কাজ সহজ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে সৃষ্টিশীল বিষয়গুলোতে মানুষের ভূমিকা রয়েছে এবং এর বিকল্প নেই। তাই অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় আগামী দিনে এআইকে ব্যবহার করে পড়াশোনা এবং সরাসরি কাজ করার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এআই ব্যবহার করে কিভাবে অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় মৌলিক ধারণা, পরিকল্পনা, বাজেট নির্ধারণ, লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা করা যায় টিমওয়ার্ক এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে সেটাই শেখালেন এড-প্রো কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালক জাকারিয়া হাবিব পাইলট, ব্র্যান্ড সলিউশন লিমিটেড পরিচালক ইরশাদুল হক ও প্রিন্টএগ্রাফির সিইও এস এম আল মাহমুদ।
শিক্ষণে পেশাদার প্রশিক্ষকরা অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণে আটটি সেশন হয়। দেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পেরে শিক্ষার্থীরাও আনন্দিত। যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এবং দেশব্যাপী এমন কর্মশালার আয়োজন দরকার বলে মত দেন তারা।
প্রশিক্ষক জাকারিয়া হাবিব পাইলট বলেন, “বর্তমান সময়ে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা ও উদ্যোক্তা খাত হিসেবে গড়ে উঠেছে। তরুণদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কার্যকর।”
গত কয়েকবছরে দেশে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট খাতের ব্যাপক বিকাশ হয়েছে জানিয়ে ফিউচার স্কিলস ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ হাসান বলেন, কিন্তু দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ তেমনটা নেই। আমাদের আজকের আয়োজন শুরু মাত্র। ভবিষ্যতে আরো প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
আয়োজন সহযোগী মিডিয়া মিক্স কমিউনিকেশন্স পরিচালক মোহাম্মাদ মহসিন বলেন, “আমাদের এজেন্সি একযুগেরও বেশি সময় ধরে ডেভেলপমেন্ট ও করপোরেট সেক্টরে কাজ করে আসছে। আমাদের জনশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা দেশে নেই।”







