একাডেমিক কাউন্সিলের ৬৭তম সভায় সিদ্ধান্ত
খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ফেরাতে যবিপ্রবিতে ‘কোডিং পদ্ধতি’
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর গোপন রেখে সংকেত ব্য
যশোর, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে চালু হতে যাচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর কিংবা ব্যক্তিপরিচয় গোপন রেখে একটি বিশেষ সংকেত বা কোড ব্যবহারের মাধ্যমে খাতা মূল্যায়ন করবেন পরীক্ষকরা।
২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।
উচ্চশিক্ষায় খাতা মূল্যায়নের বস্তুনিষ্ঠতা ও মানের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অনেক সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত ধারণার কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার সুযোগ থেকে যায়। কোডিং পদ্ধতি চালুর ফলে এই ধরনের পক্ষপাত বা জটিলতার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হবে।”
তিনি আরও যুক্ত করেন, “একজন শিক্ষার্থীর যোগ্যতার সঠিক প্রতিফলন ঘটা উচিত তার অর্জিত নম্বরে। পরীক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর পরিচয় না জেনেই বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা বৃদ্ধি পাবে। আমরা আশা করছি, আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই পর্যায়ক্রমে এ পদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব হবে।”
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক শৃঙ্খলা ও খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান উন্নত করতে এই কোডিং পদ্ধতি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো পরীক্ষা ব্যবস্থাকে যেকোনো বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা, যাতে কোনো শিক্ষার্থী বৈষম্যের শিকার না হয়। একটি আধুনিক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও জবাবদিহিতামূলক পরিবেশ গঠনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
/ডিবিটেক/ এনএইচজেএনইউ/ এসএমপি/ এমআইএসইটি//





