জাতীয় গড়ের চেয়ে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এগিয়ে পাসের হার
এসএসসি ভোকেশনালে অনন্য সফলতায় ইউসেপ বাংলাদেশ
- ইউসেপ বাংলাদেশের ৩৬টি টেকনিক্যাল স্কুলে পাসের হার ৮৯.৯৬ শতাংশ
- ১,৮১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১,৬৩০ জন উত্তীর্ণ, জিপিএ-৫ ৬৩৯ জন
- কারিগরি বোর্ডের ৫৮.২০ শতাংশ পাসের হারের তুলনায় ইউসেপের ফলে চমক
ঢাকা: ১৪ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার।
২০২৬ সালের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউসেপ বাংলাদেশ পরিচালিত ৩৬টি টেকনিক্যাল স্কুল থেকে এ বছর মোট ১ হাজার ৮১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৩০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। এতে ইউসেপ বাংলাদেশের টেকনিক্যাল স্কুলগুলোর সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
জাতীয় ফলাফলের তুলনায় ইউসেপ বাংলাদেশের এই সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৬ সালের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৮৩৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে সারাদেশে ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ৪৭০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর সারাদেশে সর্বমোট ৩ হাজার ৯৫১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
জাতীয় পর্যায়ের ৫৮.২০ শতাংশ পাসের হারের বিপরীতে ইউসেপ বাংলাদেশের পাসের হার ৮৯.৯৬ শতাংশ, যা জাতীয় গড়ের চেয়ে ৩১.৭৬ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। একইভাবে ইউসেপ বাংলাদেশের ৩৬টি টেকনিক্যাল স্কুলের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জনের হারও নজরকাড়া; মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৫.২৬ শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। যেখানে সারাদেশে জিপিএ-৫ পাওয়া মোট শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশই ইউসেপের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউসেপ টেকনিক্যাল স্কুল শুধু শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষা প্রদান করছে না, বরং তাদের কারিগরি দক্ষতা, কর্মদক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্য করে প্রস্তুত করছে। দেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিকভাবে, জাতীয় ফলাফলের তুলনায় ইউসেপ বাংলাদেশের ২০২৬ সালের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফলকে এক অনন্য সাফল্য হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
//ডিবিটেক/ জেএনও/এমএসআই//





