প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে সমাজসেবা ও ইউসেপের যৌথ নতুন প্রকল্প
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় সরকারের বিশেষ জোর
- কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগানোর ওপর জোর
- ৭ হাজার ৫০০ প্রান্তিক যুবক-যুবতীকে ১৭টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান
- প্রযুক্তি ও নতুন ভাষা শেখার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার দখলের আহ্বান
২ আগস্ট, রবিবার: সরকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে এবং দেশের বিশাল যুবসমাজকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি।
রবিবার রাজধানীর মিরপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউসেপ বাংলাদেশের উদ্যোগে 'সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ' শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির বাইরেও তৃতীয় একটি ভাষা শেখা আবশ্যক। কেয়ার গিভিং খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসব দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানি করতে পারলে একদিকে পরিবারে সচ্ছলতা আসবে, অন্যদিকে জাতীয় রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে।
প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো—চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়া বেকার যুবসমাজ, বিশেষত দরিদ্র যুব-যুবমহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, হিজড়া জনগোষ্ঠী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, উপকূলীয় এলাকার লোকজন এবং ‘জুলাই ২০২৪ আন্দোলন’-এ অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ও শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এ প্রকল্পের আওতায় মোট ৭ হাজার ৫০০ জনকে ১৯টি জেলায় ১৭টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইউসেফ বোর্ড অফ গভর্নরসের সদস্য ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুব এবং ইউসেফ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবদুল করিম।
//ডিবিটেক/বিএনও/ এমএসআই//





