স্মার্ট প্যাট্রোলিং ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণে বন ব্যবস্থাপনা জোরদারের তথ্য সংসদে
ড্রোন নজরদারিতে বন সুরক্ষার ডিজিটাল অভিযান
দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণে ড্রোন প্রযুক্তি, স্মার্ট প্যাট্রোলিং এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবহারের কথা জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করছে সরকার। বনাঞ্চলে পর্যবেক্ষণ, টহল এবং বন-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ড্রোন ও স্মার্ট প্যাট্রোলিং প্রযুক্তি ব্যবহারের তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
১৯ জুন, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে, যা বাংলাদেশের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
মন্ত্রী বলেন, বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের টহল জোরদারের পাশাপাশি সুন্দরবনসহ বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকায় সাইবার ট্র্যাকার প্রযুক্তিভিত্তিক স্মার্ট প্যাট্রোলিং চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বনাঞ্চলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, বন ও বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ এবং নজরদারিতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে দুর্গম অঞ্চল পর্যবেক্ষণ, অবৈধ দখল শনাক্তকরণ এবং বনসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই প্রযুক্তি সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।
স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহ-ব্যবস্থাপনা ও অংশীদারিত্বভিত্তিক বন ব্যবস্থাপনা মডেলও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬–এর ৬(৪) ধারা অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
//ডিবিটেক/এসএন/আইএইচ//





