যোগাযোগদক্ষতা ও তরুণদের উদ্ভাবনী উপস্থাপনায় লা মেরিডিয়ানে ফাইনাল

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি বক্তৃতায় সেরা উমামা ও জাইমা

  • উমাইজা রামিন উমামা এবং জাইমা চৌধুরী ব্রিটিশ কাউন্সিলের দুই বিভাগে বিজয়ী হয়েছে
  • জাতীয় শিক্ষাক্রমের ৪০টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা তিন ধাপের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়
  • তাৎক্ষণিক বিষয়ে দুই মিনিটের বক্তৃতার মাধ্যমে বিচারকরা বিজয়ীদের নির্বাচন করেন

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি বক্তৃতায় সেরা উমামা ও জাইমা
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৪  

ব্রিটিশ কাউন্সিলের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইংরেজি বক্তব্য প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এ নিজ নিজ বিভাগে বিজয়ী হয়েছে সিলেটের সরকারি অগ্রগামী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী উমাইজা রামিন উমামা এবং ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের জাইমা চৌধুরী। ১৪ অক্টোবর, বুধবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

চূড়ান্ত পর্বে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাছাইকৃত ২০ জন প্রতিভাবান শিক্ষার্থী অংশ নেয়। নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘এ’ গ্রুপে বিজয়ী হয় উমাইজা রামিন উমামা। অন্যদিকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ‘বি’ গ্রুপে সেরা পারফর্ম করে বিজয়ী হয় জাইমা চৌধুরী।

তরুণদের আত্মবিশ্বাস, ডিজিটাল উপস্থাপনা ও যোগাযোগদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ইংরেজিতে চিন্তা প্রকাশে উৎসাহিত করতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। জাতীয় শিক্ষাক্রমের অন্তর্ভুক্ত ৪০টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। চূড়ান্ত পর্বে প্রতিটি প্রতিযোগী তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া একটি টেকনিক্যাল ও সামাজিক বিষয়ে দুই মিনিটের লাইভ স্পিচ প্রদান করে। বক্তব্যের বিষয়বস্তু, সুস্পষ্ট কাঠামো, যৌক্তিক বিন্যাস, প্রাসঙ্গিকতা এবং উদাহরণের দক্ষতার ওপর মোট ৫০ নম্বরের মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হয়।

আয়োজন নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস জানান, যোগাযোগের দক্ষতা আধুনিক

 যুগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ কাউন্সিল কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ফলের ওপর গুরুত্ব দেয় না, বরং কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে।

তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে স্কুল পর্যায়ের বাছাই শেষে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা ২০ জন জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেয়, যার মধ্যে ঢাকা থেকে ১০ জন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে ৫ জন করে সুযোগ পায়। প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাস্টার ট্রেইনার এবং আন্তর্জাতিক সংগঠন টোস্টমাস্টার্স ইন্টারন্যাশনালের অভিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী।

অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের হেড অব মার্কেট জুনায়েদ আহমেদ জানান, দুই মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা মূলত দীর্ঘ বক্তৃতার চেয়েও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং এবং এটিই মানুষ দীর্ঘকাল মনে রাখে। খুদে বক্তারা তাদের ভাবনা দারুণভাবে তুলে ধরে চমৎকার পাবলিক স্পিকিং দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে প্রস্তুত করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল নিয়মিত এ ধরনের ডিজিটাল ও প্রযুক্তিমনস্ক সুযোগ তৈরি করছে।

গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, টোস্টমাস্টার্সের বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

//ডিবিটেক/এমএমআরপি/এমভিএনও/এমআইএসটি//