একসঙ্গে চার নোডে বড় সিমুলেশন
স্থানীয় গবেষণায় গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম
- এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করতে পারবে সিস্টেমটি
- চার নোডে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা দেখানো হয়েছে
- বাংলাদেশে ভ্যারিয়েন্টভেদে এআই টপ অ্যাটমের দাম প্রায় ১০ লাখ টাকা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ও বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন স্থানীয়ভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থা ‘এআই টপ অ্যাটম’ এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, প্রতিটি নোডে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স ও ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি রয়েছে। চারটি নোড ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও মেমোরি-নির্ভর বৈজ্ঞানিক কাজ পরিচালনা করা যায়।
এআই টপ অ্যাটম সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি এআই মডেল চালানো, বড় ডেটাসেট নিয়ে কাজ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থা। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়ানো যায়।
গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদাহরণ উপস্থাপন করেছে। এতে প্রথমে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয়। পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণার ভিত্তিতে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।
প্রদর্শনীতে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারভিত্তিক সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।
গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। এর বিপরীতে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এ ধরনের সক্ষমতা সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা দিতে পারে। একই সঙ্গে তথ্য ও গবেষণার কাজ স্থানীয়ভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় রাখা যায়।
গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে—৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
খাজা মো. আনাস খান বলেন, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।
//ডিবিটেক/জিএনআর/এসএমপি/বিএসটি//





