কোরিয়ার কোইকার সহযোগিতায় ৬০ কোটি টাকার আধুনিক অবকাঠামো
চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করল সিআইডির বিশেষায়িত সাইবার পুলিশ সেন্টার
- ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ, অনলাইন আর্থিক প্রতারণা দমন ও ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি
- দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ
- চারতলা অত্যাধুনিক কেন্দ্র গড়ে তুলতে ৫৯ কোটি ৮ লক্ষ টাকা অর্থায়ন
দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক জটিল অপরাধ প্রতিরোধ এবং ফরেনসিক তদন্ত সক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)’। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (KOICA) আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ আধুনিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
১৪ অক্টোবর, বুধবার চট্টগ্রামের দামপাড়াস্থ মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সেন্টারের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ,।
সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিন, বিপিএম। এ সময় কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম, কোরিয়ান দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান কিম হে-জুং এবং কোইকার উপ-কান্ট্রি ডিরেক্টর সুজিন কং উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, “সেফার সাইবারস্পেস ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ: এনহ্যান্সিং ন্যাশনাল অ্যান্ড রিজিওনাল ডিজিটাল ইনভেস্টিগেশন ক্যাপাবিলিটি অব বাংলাদেশ পুলিশ” শীর্ষক প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল একনেকে অনুমোদিত হয়। মোট ৫৯ কোটি ৮ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে ১০ তলা ভিত্তির ওপর ৪ তলাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সাইবার তদন্ত ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তাদের দেশে-বিদেশে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
নতুন এ কেন্দ্রটি চালুর ফলে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকাসহ দেশের সমগ্র দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, তাৎক্ষণিক ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, অনলাইন ব্ল্যাকমেইলিং, ডিজিটাল হুন্ডি, ক্রিপ্টোকারেন্সি পাচার এবং ডার্কওয়েবভিত্তিক রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা দমনে সিআইডির কার্যক্রম গতিশীল হবে। স্থানীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা যুক্ত হওয়ায় মামলা নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি নাগরিকদের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।
//ডিবিটেক/এনজেবিআরপি/এমভিএনও/এমআইএসটি//





